পুলিশের জালে ধরা পড়ল হাজার পশু, বিপুল পরিমাণ কাঠ | বিশ্ব | DW | 21.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

পুলিশের জালে ধরা পড়ল হাজার পশু, বিপুল পরিমাণ কাঠ

আন্তর্জাতিক স্তরে পশু চোরাচালানের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য মিললো৷ ৯২টি দেশে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে হাজারো পশু এবং বিপুল পরিমাণ কাঠ৷

বন্যপ্রাণী ও অরণ্যের কাঠের বেআইনি ব্যবসা রুখতে একমাস ধরে ৯২টি দেশে অভিযান চলেছে৷ বুধবার আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল জানিয়েছে, এই অভিযানে ২ হাজারের বেশি জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷

মে মাস জুড়ে চলা অভিযানের পোশাকি নাম ছিল থান্ডারস্টর্ম৷ তাতে ১৯৭৪ টি জিনিস বাজেয়াপ্ত হয়েছে৷ ১৪০০ সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ শুধু ৯২টি দেশের পুলিশ বাহিনী নয়, তার সঙ্গে অভিযানে যুক্ত ছিলেন পরিবেশ, বন, শুল্ক বিভাগের আধিকারিকরাও৷ ছিলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরাও৷ উদ্ধার করা জিনিসের তালিকা নেহাত কম নয়৷

৪৩ টন বন্যজন্তুর মাংস, (এর মধ্যে ভালুক, হাতি, কুমির, তিমি এবং জেব্রার মাংসও আছে) ১ দশমিক ৩ টন হাতির দাঁত ২৭ হাজার সরীসৃপ (৮৬৯ টি ঘড়িয়াল, কুমির, ৯,৫৯০ টি কাছিম এবং ১০ হাজার সাপ ) প্রায় ৪ হাজার পাখি, (পেলিকান, অস্ট্রিচ, তোতাপাখি ও পেঁচা) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কাঠ ১৪টি বড় বিড়াল গোত্রের পশু (বাঘ, সিংহ, লেপার্ড, জাগুয়ার) পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিলেছে এইসব৷ ৮ টন প্যাঙ্গোলিনের আঁশ উদ্ধার হয়েছে৷ এর মধ্যে চার টন উদ্ধার করেছেন ভিয়েতনামের জলসীমার রক্ষীরা৷ কঙ্গো থেকেআসা একটি জাহাজে ছিল এইসব অবৈধ পন্য৷

অ্যামেরিকাও এইসব অপরাধের বাইরে নয়৷ সেখানকার দুই বিমানকর্মীর ব্যাগে জ্যান্ত কচ্ছপ মিলেছে৷ তারা কোনো দেশে সেগুলি পাচারের পরিকল্পনা করছিলেন৷ তাদের গ্রপ্তার করে চোরাচালানের মামলা রুজু করা হয়েছে৷ ইসরায়েলের এক ব্যক্তিকে ধরা হয়েছে যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শিকারের ছবি পোস্ট করেছিলেন৷ তার বাড়ি থেকে শিয়াল, খ্যাঁকশিয়াল ও মনগুজের দেহসহ বিভিন্ন জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে৷

লুইসা রাইট/পিএস

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন