পুলিশের কারণে যেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়: সিইসি | বিশ্ব | DW | 22.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

পুলিশের কারণে যেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়: সিইসি

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে পুলিশের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা৷ বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, পুলিশ প্রশাসনের কারণে যেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, তা লক্ষ্য রাখতে হবে৷

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা-বিষয়ক বিশেষ সভাটি হয় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে৷  বিশেষ সভায় সিইসি এসব কথা বলেন৷ সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ১২ দফা নির্দেশনা দেন সিইসি৷

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং ভোটের আগে-পরে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে দেয়া ১২ দফা নির্দেশনায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার করা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নারী ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়া নির্বিঘ্ন করা এবং ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচনি মালামালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়া হয়৷

পুলিশের ভূমিকা যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে যেন প্রশ্ন না ওঠে সেজন্য কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেন সিইসি৷ এর মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া৷ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে অনেক কর্মকর্তা অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন৷

‘‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করার কথা আমরা বলিনি,'' হুদা বলেন৷ ‘‘এটা আপনারা করবেন না৷ কারণ, এটা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে৷ যাঁরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, তাঁরা বিব্রত হন৷ আমরা এটা চাই না৷''

কারো সম্পর্কে খোঁজ নিতে হলে গোপনে নেয়া যেতে পারে বলে জানান তিনি৷

এছাড়া বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেপ্তার না করার কথা বলেন সিইসি৷

‘‘তফসিল ঘোষণার পর কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করবেন না, মামলা করবেন না৷ কাউকে হয়রানিমূলক মামলা বা গ্রেপ্তার করা যাবে না,

পুলিশের কাছ থেকে অন্য বাহিনীগুলো আইন-শৃঙ্খলার বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য ও পরামর্শ নেবে'' বলে জানান সিইসি৷

এছাড়া ১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট ছোট দল কাজ শুরু করবে বলেও জানান তিনি৷

‘‘১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম পুলিশের সাথে দেখা করবে,'' হুদা বলেন৷ ‘‘প্রতি জেলায় থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম৷ এদেরকে নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করবেন৷ তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে৷ অন্যান্য বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন৷''

সভায় নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, পুলিশের আইজি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা৷

কর্মকর্তাদের অপসারণ চায় বিরোধী জোট

এদিকে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের অন্তত ৯০ জন কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি করেছে বিএনপি ও তাদের প্রাধান্যে গঠিত ঐক্যফ্রন্ট৷ বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ দাবি জানায় তারা৷

বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের কাছে কর্মকর্তাদের তালিকার চিঠিটি জমা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল৷

বিএনপির প্যাডে মির্জা ফখরুল স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ জনপ্রশাসনের কয়েকজন সচিব, জ্যেষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কয়েকজন জেলা প্রশাসকের নাম রয়েছে৷

আরেক তালিকায় রয়েছে পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৭০ জন কর্মকর্তার নাম৷

জেডএ/এসিবি (প্রথম আলো, বিডিনিউজ)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন