‘‘পুরুষ ও নারীর মধ্যে বিভক্তি নয়’’ | বিশ্ব | DW | 08.03.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘‘পুরুষ ও নারীর মধ্যে বিভক্তি নয়’’

‘‘আমি যেমন মানুষ নারীও তেমনই, তাই সমান অধিকার দরকার’’ কিংবা নারী ও পুরুষে বিভক্তি না করে মানবতাবাদী হওয়া যায় না? কর্মক্ষেত্রে নারীদের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশেষ লাইভ অনুষ্ঠানে অনেক পুরুষ এরকম মন্তব্য করেছেন৷

ডয়চে ভেলের ফেসবুক লাইভ দেখে দর্শক ইঞ্জিনিয়ার মো.সাহাব উদ্দিনের প্রশ্ন, নারীরা কি আসলেই মানুষের মর্যাদা পেয়েছে? তিনি দুঃখ করে লিখেছেন, ‘‘টিভির অ্যাডভারটাইজমেন্টে, বিলবোর্ড, মিডিয়ায় নারীদেহের প্রদর্শনকি নারীকে আদৌ কোনো সম্মান বা স্বাধীনতা দিয়েছে? গাড়ির অ্যাডের সাথে সাজ-সজ্জায় অর্ধনগ্ন নারী, পুরুষের ব্যবহৃত পণ্যের অ্যাডেও নারী, বিশাল বিলবোর্ডে পণ্যের সাথে নারী, বাচ্চাদের চকলেট, আইসক্রিমের অ্যাডে,পুরুষের বডি স্প্রে, শেভিং ক্রিম এর অ্যাডে যৌনউদ্দীপক নারী, ফ্যাশন শো, সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা সবখানেই কেবল নারীদেহ প্রদর্শনীর প্রতিযোগিতা৷ পণ্যের মার্কেটিং এর একমাত্র হাতিয়ার হলো নারী দেহ৷ আর এইসব বিজ্ঞাপন নিমার্তার অধিকাংশই পুরুষ, তারা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের এন্টারটেইনের কথা বিবেচনা করেই বিজ্ঞাপন সাজায়৷ তারা জানে যে এই সমাজে নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি আসলে কেমন৷ নারীকে পুরুষেরা শুধু পণ্যই ভাবে৷''

‘‘প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির খাতায় অবদানে শীর্ষে থাকুক নারী'' এভাবেই  বিশ্ব নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দর্শক রুবেল রানা৷ তিনি লিখেছেন ফেসবুক পাতায়, ‘‘শুধু নারী দিবসে নয়, এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণায় আত্মপ্রতিষ্ঠা ও আত্মউপলব্ধিতে উজ্জ্বল হোক নারীর প্রতিটি দিন৷ প্রতিদিন, প্রতি ক্ষণ, প্রতি মুহূর্তে শুভ হোক নারীর অবাধ পথ চলা, আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সকল নারীর অবদান, এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানে চলো বহুদূর!''

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের আরো শুভেচ্ছা জানিয়েছেন  স্বপন কুমার, ফারুক হোসেনসহ অনেকে৷

নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি না করে মানব বাদী হওয়া যায়না? দর্শক মোর্তুজা চৌধুরীর মন্তব্য৷ আর শহীদুল্লাহ কায়সার মনে করেন, ‘‘আমি যেমন মানুষ নারী ও তেমন তাই নারী পুরুষ সমানাধিকার দরকার৷''

নারী দিবস উপলক্ষে ফেসবুক লাইভটি খুব ভালো লেগেছে জানিয়েছেন দর্শক দীন মোহাম্মদ৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: খালেদ মুহীউদ্দীন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়