পিছিয়ে গেল ইংলাকের মামলার রায় | বিশ্ব | DW | 25.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

থাইল্যান্ড

পিছিয়ে গেল ইংলাকের মামলার রায়

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার মামলার রায় পেছানো হয়েছে৷ রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে আদালত জানিয়েছে, পরবর্তীতে রায় শুনতে আদালতে হাজির না হলে ইংলাকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে৷

শুক্রবার ছিল ইংলাকের বিরুদ্ধে চালে ভর্তুকি কর্মসূচিতে অবহেলার অভিযোগের মামলার রায় ঘোষণার দিন৷ ইংলাক না আসায় সুপ্রিম কোর্ট রায়ের নতুন দিন ধার্য করে৷ সে অনুযায়ী, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হতে পারে থাইল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ভাগ্য৷ সেদিনও আদালতে না এলে ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তাঁর৷ এর বাইরে রাজনীতিতে আজীবন নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে৷

চালে ভর্তুকির কর্মসূচিতে ইংলাক সরকার কৃষকদের কাছ থেকে বাজারমূল্যের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি মূল্যে ধান কিনেছিল৷ এর ফলে দেশে বিপুল পরিমাণে চাল মজুত হয়৷ কিন্তু সে চাল বিক্রি না হওয়ায় সরকারের ৮০০ কোটি ডলার লোকসান হয়৷ ইংলাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই কর্মসূচিতে অবহেলা করেছেন৷ ইংলাক অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷

২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইংলাক৷ আদালতের এক বিতর্কিত আদেশে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েকদিন পর ২০১৪ সালের ২২ মে সেনাপ্রধান প্রায়ুথ চান ওচা ক্ষমতা গ্রহণ করেন৷ তারপর থেকে থাইল্যান্ডে আর নির্বাচন হয়নি৷ প্রায়ুথ সরকার অবশ্য আগামী বছর নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে৷

শুক্রবার আদালতের কাছাকাছি ইংলাকের শত শত সমর্থকের ভিড় দেখা যায়৷ আদালত প্রাঙ্গনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৪০০০ পুলিশ মোতায়েন ছিল৷ ইংলাক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমর্থকদের আদালত প্রাঙ্গনে না যেতে অনুরোধ করেছিলেন৷ এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছিলেন, রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাছে গেলে তাঁর সমর্থকদের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে৷ তাঁর এ আহ্বান সত্বেও শত শত সমর্থক আদালত এলাকায় গিয়েছিলেন৷ কিন্তু ইংলাক আদালতে হাজির হননি৷ তাঁর আইনজীবী জানান, কানে জটিল এক রোগে কাতর হয়ে পড়ার কারণে ইংলাক আসতে পারেননি৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন