পারস্য উপসাগরে যুদ্ধের দামামা? | বিশ্ব | DW | 13.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

পারস্য উপসাগরে যুদ্ধের দামামা?

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ইরানের বেড়ে চলা সংঘাতের প্রেক্ষাপটে পারস্য উপসাগরে একাধিক জাহাজের উপর ‘অন্তর্ঘাত'-এর ঘটনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে৷ অ্যামেরিকা কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে৷

সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করেছে, যে রবিবার সে দেশের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছেই কমপক্ষে ৪টি জাহাজে ‘অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপ' ঘটেছে৷ তবে আমিরাতের কর্তৃপক্ষ এই অন্তর্ঘাত সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কে বা কারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি৷ তবে ক্ষয়ক্ষতি ও নাবিকদের কোনো অনিষ্ট হয় নি বলে সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে৷

৬ দেশের উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ জিসিসি-র মহাসচিব আবদুললতিফ বিন রশিদ আল-জায়ানি এক বিবৃতিতে এই ঘটনা সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ বাহরাইন, মিশর ও ইয়েমেনের স্বীকৃত সরকারও এমন অন্তর্ঘাতের নিন্দা করেছে৷ এর মধ্যে সৌদি আরবও দুটি পেট্রোলিয়াম-বাহী জাহাজের উপর ‘অন্তর্ঘাতমূলক হামলা'-র অভিযোগ করেছে৷

মার্কিন প্রশাসন গত বৃহস্পতিবারই গোটা অঞ্চলের জাহাজের উপর ইরান বা সে দেশের ‘প্রক্সি' কোনো গোষ্ঠীর হামলা সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছিল৷ উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী ও বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করার ঘোষণা করেছে৷ ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করতেই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে৷ ইরান হোরমুজ প্রণালী তথা পারস্য উপসাগরে অ্যামেরিকা ও সে দেশের সহযোগীদের বিরুদ্ধে তৎপরতা বাড়াতে পারে বলে ওয়াশিংটন মে মাস থেকে আশঙ্কা করছিল৷ ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত ও বাকি বিশ্বের উপর ইরান থেকে পেট্রোলিয়ম ও ধাতু আমদানি বন্ধ

রবিবার লেবাননের ইরানপন্থি এক টেলিভিশন চ্যানেল ‘উপসাগরীয় সূত্র'-কে উল্লেখ করে ফুজাইরাহ বন্দরে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনার কথা জানায়৷ তবে আল-মায়াদিন চ্যানেলের এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি৷

 ইরানের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা পদক্ষেপের ফলে ইউরোপ তথা বিশ্বের অনেক শক্তি মোটেই সন্তুষ্ট নয়৷ পরমাণু চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও তাদের মনে অনিশ্চয়তা বাড়ছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই চুক্তি এখনো কার্যকর করতে চায়৷ পরমাণু কার্যকলাপ বাড়ানোর বিষয়ে ইরানের হুমকি নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন৷ তার উপর ইরান ও মার্কিন স্বার্থের সংঘাতের জের ধরে পারস্য উপসাগরে যুদ্ধের আশঙ্কাও আর উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ ইউরোপীয় সহযোগীদের কাছে এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য তুলে ধরতে সোমবার ব্রাসেলসে আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও৷ তারপর মঙ্গলবার রাশিয়ার সোচি শহরে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ-এর সঙ্গে ইরানসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এপি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন