পানির নীচের খবর জানার নতুন উপায় আবিষ্কার | অন্বেষণ | DW | 30.03.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

পানির নীচের খবর জানার নতুন উপায় আবিষ্কার

পানির নীচের জগত সম্পর্কে আমরা কতটা জানি? এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেয়া সম্ভব নয়৷ তবে বিজ্ঞানীরা এখন তৈরি করছেন এমন এক ডিভাইস যেটি পানির অনেক গভীরে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তা আগাম জানাতে সক্ষম হবে৷

default

প্রতীকী ছবি

নরওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে বিজ্ঞানীরা এমন এক স্বয়ংক্রিয় ডিভাইস পরীক্ষা করছে যেটি পানির নীচে কী ঘটছে তা শনাক্ত করতে এবং বুঝতে সক্ষম৷ তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা গবেষক কাইল জাং এই বিষয়ে বলেন, ‘‘যন্ত্রটির কেসিংয়ের মধ্যে পরিস্থিতি বোঝার এবং প্রাপ্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের উপযুক্ত ইলেকট্রনিক উপকরণ রয়েছে৷ যার অর্থ হচ্ছে আমরা যদি একটি জাহাজ বা তেলের পাইপে ছিদ্র পরীক্ষা করতে চাই, সেটার জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী ডিভাইসটিকে তৈরি করে নিতে পারবো৷ আমরা সবকিছু এখানে করবো আর যন্ত্রটি কন্ট্রোল সেন্টারে সিগন্যাল পাঠাবে৷’’

পানির নীচের পাইপলাইনে ছিদ্র বোঝার এক সঙ্কেত হতে পারে বুদবুদ৷ একটি সেন্সর বুদবুদের শব্দ শনাক্ত করবে এবং সম্ভাব্য ছিদ্র সম্পর্কে ইঞ্জিনিয়ারদের সতর্ক করবে৷ কিন্তু এটা কি বড় পরিসরে, সমুদ্রের গভীরে কাজ করতে সক্ষম? একটি ইউরোপীয় গবেষণা প্রকল্প ধ্বনিতাত্ত্বিক নজরদারির জন্য একটি কার্যকরী নেটওয়ার্ক তৈরিতে কাজ করছে৷ প্রকল্পের সমন্বয়ক পাউল হাভিংখা বলেন, ‘‘আমরা পানির নীচে সেন্সর ডিভাইসগুলো পাঠিয়ে দেই, সেগুলো পানির গভীরে চলে যায় এবং সেখানকার পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করবে, এবং সেগুলো যদি অস্বাভাবিক কিছু দেখে তাহলে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং প্রয়োজনে উপকূলে সংকেত পাঠাবে৷’’

সমুদ্রের তলায়, মানে পানির কয়েকশ’ মিটার গভীরে নির্দিষ্ট দূরত্বে কয়েকটি বিশেষভাবে তৈরি সেন্সর বসানো হয়েছে৷ এদের প্রতিটি স্বয়ংক্রিয় এবং বিল্ট-ইন ব্যাটারিযুক্ত, ফলে তাদের আলাদা কোনো পাওয়ার কেবলের দরকার নেই, যা ডিভাইসটি তৈরির খরচ কমিয়েছে৷ টোয়েন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পাউল হাভিংখা এই বিষয়ে বলেন, ‘‘এটা একটা বড় ডিভাইস, গভীর জলের জন্য তৈরি, কয়েক কিলোমিটার গভীরে যেতে পারে৷ এটির প্যাকেজিং, কেসিং এবং ইলেকট্রনিক্স দেখলেই আপনি সেটা বুঝতে পারবেন৷ এগুলো আরো নির্ভরযোগ্য এবং দূরপাল্লায় কাজ করার উপযোগে করেই তৈরি৷’’

পানির নীচের একটি সেন্সর যখন কোনো ছিদ্র শনাক্ত করে, তখন সেটি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্যটি অন্য যন্ত্রে পাঠায়৷ অন্য যন্ত্রগুলো সেটা গ্রহণ করে এবং পরস্পরের সহযোগিতায় উপকূলে পাঠানোর চেষ্টা করে৷ যন্ত্রগুলো পাঠানো সংকেত গ্রহণ করতে পানির উপরে কিছু ভাসমান বয়া রয়েছে, যেগুলো ধ্বনিতাত্বিক বার্তাকে রেডিও সিগন্যালে পরিণত করে৷ এমন ধ্বনিতাত্ত্বিক নেটওয়ার্ক ভবিষ্যতে ন্যাভিগেশন, জলজপ্রাণী পর্যবেক্ষণ এবং পানির পাইপ লাইন রক্ষা এবং ড্রিলিং প্লাটফর্মকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষায় সহায়তা করবে৷

২০১৬ সালের অক্টোবরের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন