পাকিস্তানে হিন্দু মন্দিরে হামলায় তদন্তের নির্দেশ ইমরান খানের  | বিশ্ব | DW | 06.02.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

পাকিস্তানে হিন্দু মন্দিরে হামলায় তদন্তের নির্দেশ ইমরান খানের 

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের কুমব শহরের হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ এক টুইটার বার্তায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে এ নির্দেশ দেন৷

মঙ্গলবার রাতে ইমরান খান টুইটে লেখেন, ‘‘সিন্ধু প্রদেশের প্রশাসন এই হামলার  বিষয়ে দ্রুত প্রদক্ষেপ নেবে এমনটাই আশা করছি৷'' তিনি হামলাকারীদের খুঁজে বের করার কথাও উল্লেখ করেন৷ বলেন, ‘‘ভিন্নধর্মীদের ওপর এই হামলা কোরআনের শিক্ষাবিরোধী আচরণ৷''

এদিকে, স্থানীয় পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে৷ বুধবার পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি জানা যায়নি৷

ইমরানের বিশেষ উপদেষ্টা এমএনএ রমেশ কুমার ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন৷ সে সময় তাঁর সঙ্গে স্থানীয় কমিশনার ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন৷ তিনি তাদেরকে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের নির্দেশ দেন৷ সে সময় তিনি স্থানীয় হিন্দু জনগোষ্ঠীর প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জেনে নেন৷

এদিকে, সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর মন্দিরের পবিত্রতা বিনষ্টকারীদের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন৷ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘এই হামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে৷ আমাদের ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের উদ্দেশ্যেই একটি অসাধু মহল এই ধরনের ঘৃণ্য কাজ করেছে৷''

উল্লেখ্য, গত সোমবার কুমব শহরের একটি মন্দিরে দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুর করে একদল দুর্বৃত্ত৷ সে সময় মন্দিরে আগুনও দেয় তারা৷ মন্দিরে হামলার ঘটনাটি হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সমালোচিত হয়েছে৷ গণমাধ্যমের সংবাদে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের হামলার ঘটনা পাকিস্তানে বেশ বিরল৷

 পাকিস্তানে হিন্দুরা একেবারেই সংখ্যালঘু৷ দেশটির ন্যাশনাল ইকোনমিক সার্ভের দেওয়া সর্বশেষ প্রতিবেদনে পাওয়া যায় ২২ কোটি জনগণের পাকিস্তানে মাত্র ২ শতাংশ হিন্দু জনগোষ্ঠী৷ অর্থাৎ মাত্র ৪৪ লাখ হিন্দু জনগণ রয়েছে পাকিস্তানে৷

এফএ (এপি)    

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন