পাকিস্তানে ধর্ষককে খোজা করার আইন, মানবাধিকার কর্মীদের অসন্তোষ | বিশ্ব | DW | 16.12.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

পাকিস্তানে ধর্ষককে খোজা করার আইন, মানবাধিকার কর্মীদের অসন্তোষ

ধর্ষণ এবং নারী নিপীড়ন কমাতে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে চলেছে পাকিস্তান৷ তবে ধর্ষককে রাসায়নিক দিয়ে খোজা করার প্রস্তাবিত এ আইন ক্ষুব্ধ করেছে মানবাধিকার কর্মীদের৷

মঙ্গলবার রাসায়নিক দিয়ে ধর্ষকের লিঙ্গচ্ছেদ করার শাস্তি রেখে তৈরি নতুন এক আইনের প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি৷ সংসদের অনুমোদন পেলে এ আইনের প্রয়োগ শুরু হবে৷

ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের ঘটনা রোধের দাবিতে গত সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়৷ লাহোরের হাইওয়েতে এক নারীকে তার সন্তানদের সামনে ধর্ষণ করার পরই শুরু হয়েছিল সেই বিক্ষোভ আন্দোলন৷ পরে অবশ্য ইমরান সরকার-বিরোধী আন্দোলনের পরিসর আরো বেড়েছে৷

এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক ও সংবাদ মাধ্যমের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বেশ কিছু দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে ১১টি বিরোধী দলের জোট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট৷ তার মাঝেই ধর্ষণ ঠেকাতে করা নতুন আইনের প্রস্তাবে স্বাক্ষর করলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি৷ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে চার মাসের মধ্যে ধর্ষণের বিচারকাজ শেষ করার কথাও বলা হয়েছে প্রস্তাবিত এ আইনে৷

তবে পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীদের অনেকেই প্রস্তাবিত এ আইনের সমালোচনা করেছেন৷ তাদের মতে, বিচার বিভাগ এবং বিচার প্রক্রিয়া উন্নত না করে এমন আইন প্রণয়ন সার্বিক পরিস্থিতিতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হবে৷

রাজধানী ইসলামাবাদের মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী রিজওয়ান খান বলেন, ‘‘এটা খুব জটিল একটা সমস্যা অতি সরলভাবে সমাধানের উদ্যোগ৷ এমন সমস্যার ক্ষেত্রে সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দরকার৷''

পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন এইচআরসিপি-র কর্মকর্তা সাদিয়া বোখারি মনে করেন, ‘‘এসব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীরা ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে আদালতের বাইরেই সমঝোতা করে ফেলে৷ অনেক ক্ষেত্রে মামলা প্রত্যাহারের জন্য ভয়-ভীতি দেখানো হয়৷ এমন বিষয়গুলোকে মনে না রেখেই এ আইনের প্রস্তাব করা হয়েছে৷ এসব দূর না করে শুধু খোজা করে দিলে কাজ হবে না৷''

এসিবি/কেএম (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়