পাকিস্তানে জৈশ-ই-মোহাম্মদের শীর্ষ নেতাসহ ৪৪ জন আটক | বিশ্ব | DW | 05.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

পাকিস্তানে জৈশ-ই-মোহাম্মদের শীর্ষ নেতাসহ ৪৪ জন আটক

ফেব্রুয়ারিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে আত্মঘাতী হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জঙ্গি গোষ্ঠীর ৪৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তান৷ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷

 আটককৃতদের মধ্যে জৈশ-ই-মোহাম্মদের শীর্ষ নেতারা রয়েছেন৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেহরিয়ার আফ্রিদি জানান, জৈশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মওলানা মাসুদ আজহারের ভাই এবং এক আত্মীয় রয়েছেন আটককৃতদের মধ্যে৷ এদিকে, মঙ্গলবার সকালে পাকিস্তানের নৌবাহিনী জানিয়েছিল, ভারতের একটি সাবমেরিন পাকিস্তানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে৷

এর আগে, সোমবার জাতিসংঘের নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে এমন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সম্পদ জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান সরকার৷ ইসলামি জঙ্গি দলগুলোর ক্ষমতা কমানোর অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷

পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ-ই-মোহাম্মদের ভারতে হামলার পর বিশ্বনেতাদের চাপের মুখে রয়েছে পাকিস্তান৷ ভারতে হামলার জের ধরে দু'দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল৷ পাকিস্তান ভারতীয় পাইলটকে শুক্রবার ফেরত দেয়ার পর দু'দেশের মধ্যে উত্তেজনার কিছুটা অবসান হয়েছে৷ পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে মদদ দেয়ার অভিযোগ বরাবরই করে আসছে ভারত৷

সোমবার রাতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি নতুন নির্দেশ জারি করেন, যেখানে জাতিসংঘের নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা জঙ্গি গোষ্ঠী ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পুরনো আইনকে হালনাগাদ করা হয়েছে৷ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ ফয়সাল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘‘মন্ত্রিসভায় এই আইন পাস হয়েছে৷''

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ঐ তালিকায় যেসব ব্যক্তির নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে লস্কর-ই-তৈয়বা'র হাফিজ সাঈদ অন্যতম৷ ভারতে ২০০৮ সালে মুম্বই হামলার পেছনে লস্কর-ই-তৈয়বার হাত রয়েছে৷

সোমবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, ‘‘জঙ্গিদের মোকাবিলা করতে পাকিস্তান নতুন কৌশল তৈরি করছে৷ এর ফলে নিষিদ্ধ গোষ্ঠীগুলো কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে ব্যর্থ হবে৷''

কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন,  ‘‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়তে নতুন একটি বিশেষ সেল গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার৷ এই সেল অর্থ মন্ত্রণালয়, কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ, রাষ্ট্রীয় ব্যাংক এবং অর্থনীতি পর্যবেক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত হবে৷ এই সেল জঙ্গি দলগুলোর সম্পদ ও তাদের আয়ের উৎস পর্যবেক্ষণ করবে৷''

সোমবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চারটি প্রদেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসে৷ সেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখতে পদক্ষেপ বাড়ানোর ব্যাপারে সবাই একমত হন৷

এপিবি/জেডএইচ (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন