পাকিস্তানে আবার বন্ধ টিকটক | বিশ্ব | DW | 22.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

পাকিস্তানে আবার বন্ধ টিকটক

এই নিয়ে চারবার। ২০১৮-তে ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পাকিস্তানে চারবার টিকটক বন্ধ হলো।

পাকিস্তানে আবার বন্ধ করে দেয়া হলো টিকটক।

পাকিস্তানে আবার বন্ধ করে দেয়া হলো টিকটক।

পাকিস্তানি টেলিকম কর্তৃপক্ষের দাবি, টিকটকের কনটেন্ট 'অনুপযুক্ত'। তাই চীনা অ্যাপ টিকটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, টিকটক পাকিস্তানের আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাদের বিষয়বস্তু 'অশ্লীল এবং অনৈতিক'।

ইমরান খানের আমলে যেভাবে বারবার টিকটক বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, তার সমালোচনাও হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ইমরানের আমলে সেন্সরশিপের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে।

তবে বুধবার টেলিকম কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের আগে টিকটক নিয়ে আদালতে মামলা হয়েছে। এর আগে জুলাইতে কোর্টের নির্দেশে টিকটক দুই দিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

পাকিস্তানে টিকটক খুবই জনপ্রিয়। বিশেষ করে যারা অনলাইনে জিনিস বিক্রি করেন, তাদের কাছে টিকটক খুবই উপযোগী অ্যাপ। কিন্তু এর সমালোচকের সংখ্যাও কম নয়। তারা মনে করেন, টিকটকের বিষয়বস্তু অনেক সময় অশ্লীল এবং তারা এলজিবিটিকিউ-কে সমর্থন করে কনটেন্ট তৈরি করে।

গত মাসে টিকটক ঘোষণা করে, তারা গত তিন মাসে আপলোড হওয়া ৬০ লাখ ভিডিও সরিয়ে দেবে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ ভিডিও  প্রাপ্তবয়স্কদের নগ্নতা প্রদর্শন ও যৌন কার্যকলাপের জন্য সরিয়ে দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

২০২০-তে পাকিস্তানে প্রথমবারের জন্য টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়। পরে চীন কূটনৈতিক চাপ দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

পাক সরকার এর আগে ইউটিউবকেও অশ্লীল বিষয় ও হেট স্পিচ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। ২০১২ সালে ইউটিউবে আপলোড করা একটি ভিডিও নিয়ে প্রবল প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়। তারপর বেশ কয়েক মাস ইউটিউবও বন্ধ থাকে। এওছাড়াও আরো দুইটি অ্যাপের উপর পাকিস্তানে নিষেধাজ্ঞা জারি আছে।

জিএইচ/এসজি(এএফপি, ডিপিএ)

সংশ্লিষ্ট বিষয়