পাকিস্তানের শীর্ষ আদালতে প্রথম নারী বিচারক | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 19.01.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

পাকিস্তানের শীর্ষ আদালতে প্রথম নারী বিচারক

পাকিস্তানের বিচারবিভাগীয় কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারক হিসেবে আয়েশা মালিকের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে৷ খুব শিগগিরই কাজে যোগ দিতে পারেন আয়েশা৷

এই সিদ্ধান্তে সরকার অত্যন্ত সাদরে সম্মতি জানিয়েছে৷ সরকারের পাশাপাশি আইনজীবী মহল, সমাজকর্মী, নাগরিক সমাজের বড় অংশ এই সিদ্ধান্তে সাধুবাদ জানিয়েছে৷

পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি গুলজার আহমেদ আয়েশার মনোনয়নে সম্মতি দিয়েছেন৷ পরবর্তী ধাপ হল সংসদীয় প্যানেল সেখানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শাসিত তেহরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা আগামী ১০ বছরের জন্য শীর্ষ আদালতের বিচারক হিসেবে আয়েশার নিয়োগে সম্মতি দিতে চলেছেন৷

শাসক দলের মালিকা বোখারি ডয়চে ভেলেকে জানান, পাকিস্তানের জন্য এটা অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ৷ আয়েশা অত্যন্ত কর্মদক্ষ একজন বিচারক৷ আইন ও বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে নারীদের রোল মডেল তিনি৷ পাকিস্তানের মানবাধিকার সংগঠন এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে৷ কমিশন বিবৃতিতে জানিয়েছে, সবমিলিয়ে মাত্র ১৭ শতাংশ নারী আইনজীবী রয়েছেন পাকিস্তানে, হাইকোর্টে যা মাত্র ৪.৪ শতাংশ৷ আইন বিভাগে লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে এ সিদ্ধান্ত সাহায্য করবে

শুধু লিঙ্গবৈষম্য সংক্রান্ত মামলা নয়, শীর্ষ আদালতে বিচারক হিসেবে আয়েশা মালিকের নিয়োগ আত্মবিশ্বাস জোগাবে পাকিস্তানের নারীদের, মত ডিজিটাল অধিকার বিষয়ক এক আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী নিঘাত দাদের৷

ভিডিও দেখুন 04:49

পাকিস্তানের প্রথম নারী ক্রিকেট আম্পায়ার- হুমাইরা

নিউ ইয়র্ক, প্যারিস, লন্ডনে পড়াশোনার পর লাহোরে পাকিস্তানি কলেজ অফ ল-তে উচ্চশিক্ষার পাঠ নিয়েছেন আয়েশা৷ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৮-১৯৯৯ সালের ফেলো ছিলেন তিনি৷ বাণিজ্য সংক্রান্ত একাধিক শাখায় গবেষণাপত্র রয়েছে তার৷ অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসের হয়ে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি৷ অক্সফোর্ড রিপোর্ট অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ল ইন দ্য ডমেস্টিক কোর্টের হয়ে কাজ করেছেন৷

৫৫ বছর বয়সি আয়েশা বর্তমানে লাহোর হাইকোর্টের বিচারক৷ সাংবিধানিক ইস্যুতে একাধিক জরুরি রায় দিয়েছেন তিনি৷ পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক সালিশের প্রয়োগ, নির্বাচনে সম্পত্তির খতিয়ান এবং ধর্ষিতাদের কৌমার্য পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞার মতো অত্যন্ত জরুরি রায়ও এসেছে আয়েশার মাধ্যমেই৷

যদিও আয়েশার নিয়োগ নিয়ে ভোটাভুটির সময় কমিটি সদস্যদের চার জন তার নিয়োগে বিরোধিতা করেছেন৷ অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত নিয়মভঙ্গ করা হবে তার নিয়োগ হলে, এমন কথাও বলেছেন কোনও কোনও আইনজীবী৷ ধর্মঘটে নেমে আদালতের কাজ বয়কটের হুমকিও দিয়েছেন একাধিক আইনজীবী৷

ইসলামাবাদের আইনজীবী এবং অধিকারকর্মী ইমান মাজারি ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, এটা অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ৷ আয়েশা মালিকের যোগ্যতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন উঠতে পারে না৷

২০২১ সালের ছবিঘর

হারুন জানজুয়া/আরকেসি