পাকিস্তানের কাশ্মীরে ভোট নিয়ে সরব ভারত | বিশ্ব | DW | 30.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

পাকিস্তানের কাশ্মীরে ভোট নিয়ে সরব ভারত

সম্প্রতি পাকিস্তানের কাশ্মীরে ভোট হয়েছে। ভারতের দাবি, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেখানে ভোট তারা সমর্থন করে না।

কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেশভাগের সময় থেকেই। কাশ্মীরের যে অংশ পাকিস্তানের হাতে, ভারত তাকে পাক অধিকৃত কাশ্মীর বলে চিহ্নিত করে। এবং বরাবরই ওই অঞ্চল নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে। যদিও এতদিন সেখানে ভোট হয়নি। পাক সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সম্প্রতি সেখানে আঞ্চলিক ভোট হয়েছে। যাতে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল।

সেই ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরেই মুখ খুলল ভারত। রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে পাকিস্তানের কাশ্মীরে ভোট করা নিয়ে প্রতিবাদ জানাল। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, পাকিস্তানের কাশ্মীরে যে ভোট হয়েছে, ভারত তাকে সমর্থন করে না। আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতিও দেয় না। কূটনৈতিক ভাষায় যাকে বলা হয় নো লোকাস স্ট্যান্ডি। অরিন্দম জানিয়েছেন, ভারত বরাবরই মনে করে কাশ্মীর এবং লাদাখের সমস্ত অংশই ভারতের। পাকিস্তান বেআইনি ভাবে তার কিছু অংশ দখল করে রেখেছে। দখল করা জায়গায় ভোট করা যায় না। ফলে পাকিস্তান যে নির্বাচন করেছে, তা বেআইনি।

এখানেই শেষ নয়, ভারতের বিবৃতি বলা হয়েছে, এই বিষয়টি নিয়ে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলোচনা করতে চাইবে। পাকিস্তান যে ভাবে দখলিকৃত জায়গায় মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালায়, ভারত তার তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একই সঙ্গে চীন থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত করিডোর নিয়েও ভারত প্রতিবাদ জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত হয়েছে। ভারতের মানচিত্রে কাশ্মীর না থাকায় মস্কোর আলোচনাসভা থেকে উঠে গিয়েছিলেন ভারতের ন্যাশনাল সিকিওরিটি অ্যাডভাইসার (এনএসএ) অজিত ডোভাল। আবার ইমরান খান ভারতীয় কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হয়েছিলেন জাতিসংঘে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বলোপ নিয়েও একাধিকবার সরব হয়েছে পাকিস্তান। তারই মধ্যে সাম্প্রতিক ঘটনা বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, এমইএ সাংবাদিক বৈঠক)