পাকিস্তানি সাংবাদিককে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ | বিশ্ব | DW | 11.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাকিস্তান

পাকিস্তানি সাংবাদিককে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ

পাকিস্তানের বিশিষ্ট  সাংবাদিক তাহা সিদ্দিকিকে অপরহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে৷ অভিযোগের আঙুল সে দেশের সেনাবাহিনীর দিকে৷ তাহা সিদ্দিকি সেনাবাহিনীর সমালোচক হিসেবে সুপরিচিত৷ ভারতের একটি সংবাদসংস্থাতেও কাজ করেন  তিনি৷

আবার অভিযোগ পাকিস্তান সেনার বিরুদ্ধে৷ এবার টার্গেট সাংবাদিক৷ পাকিস্তানের বিশিষ্ট সাংবাদিক তাহা সিদ্দিকি অভিযোগ করেছেন, রাওয়ালপিণ্ডি বিমানবন্দর থেকে ফেরার সময় তাঁর উপর হামলা চালায় বেশ কয়েকজন৷ তাহা'র ধারণা, তাঁকে অপহরণ করতে চেয়েছিল ওই হামলাকারীরা৷ অল্পের জন্য তাদের হাত থেকে রক্ষা পান তিনি৷ আপাতত তাহা পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে৷ তাঁর এক বন্ধু টুইটে জানান, তাহা এখন নিরাপদ৷

ভারতের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের পাকিস্তান বিভাগীয় প্রধান তাহা৷ ফ্রান্স ২৪ চ্যানেলের জন্যও কাজ করেছেন তিনি৷ ২০১৪ সালে ফরাসি সরকার সাংবাদিকতায় ফ্রান্সের সেরা পুরস্কারটি দেয় তাঁকে৷ বরাবরই পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেন তাহা৷ দেশে-বিদেশে সে বিষয়ে বিভিন্ন সময় নানারকম মন্তব্যও তিনি করেছেন৷ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা, সে কারণেই বহুদিন ধরে তাহা'র উপর আক্রোশ ছিল পাক সেনাবাহিনীর আর তারাই তাহা'কে অপহরণের চেষ্টা করেছে৷

বস্তুত, তাহা'র উপর এই আক্রমণের পর পাকিস্তানের সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশন এবং বেশ কয়েকটি এনজিও এর তীব্র প্রতিবাদ করে৷ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ‘স্টপএনফোর্সডডিসঅ্যাপিয়ারেন্স' হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে৷ শুধু তাই নয়, রাওয়ালপিণ্ডি সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছে৷ মন্ত্রীও সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন৷

তবে পাকিস্তানে এহেন হামলার ঘটনা প্রথম নয়৷ এর আগেও দেশের সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ হয়েছে৷ বেলুচিস্তানে বেশকিছু সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে ফরমান জারি করেছে কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী৷ কিছুদিন আগে দেশের আরেক সাংবাদিককে গাড়ি থেকে নামিয়ে ভয়ংকরভাবে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল৷ অপহৃত হয়েছিলেন চারজন ব্লগার৷ পরে তাঁরা মুক্তি পেলেও কেউ সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেই ঘটনাতেও সেনাবাহিনীর হাত ছিল৷

এসজি/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন