পাঁচ সদস্যের ইসি গঠনের জন্য ৩২২ নাম | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 14.02.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

পাঁচ সদস্যের ইসি গঠনের জন্য ৩২২ নাম

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্নভাবে ৩২২ জনের নামের প্রস্তাব পেয়েছে সার্চ কমিটি৷ প্রস্তাবিত নামগুলো সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে৷

অনুসন্ধান কমিটির সাচিবিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে আজ সোমবার রাত ৮টার পর প্রস্তাবিত নামগুলো প্রকাশ করা হয়৷ তবে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কারা এসব ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেছে তা প্রকাশ করা হয়নি৷ সার্চ কমিটির সভাপতি ও আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান প্রস্তাবিত নাম প্রকাশ করা হবে বলে গত রোববার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন৷ যেসব রাজনৈতিক দল আগের সময় অনুযায়ী নাম জমা দিতে পারেনি, তাদেরও নাম দিতে সোমবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়৷

আজ সোমবার বর্তমান ইসির মেয়াদ শেষ৷ স্বাধীনতার পর এবারই আইন অনুযায়ী প্রথম ইসি গঠিত হচ্ছে৷ গত ২৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২ জাতীয় সংসদে পাস হয়৷ আইনানুযায়ী ইসি গঠনে যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে সভাপতি করে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়৷

সার্চ কমিটিকে নাম সুপারিশের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে ১৫ কার্যদিবস৷ ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের সময় আছে৷ রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও ব্যক্তিপর্যায় থেকে আসা প্রস্তাবের বাইরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে অনুসন্ধান কমিটি নিজেরাও যোগ্য ব্যক্তি বাছাই করতে পারবে৷ ১০ জনের নাম বাছাই করে অনুসন্ধান কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে৷ এবং সেখান থেকে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করবেন৷

ইসি গঠনে সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল থেকে এসেছে ১৩৬ জনের নাম৷ পেশাজীবী সংগঠন ৪০টি এবং ইমেলে এসেছে ৯৯ জনের নাম৷ আর ৩৪ জন ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রস্তাব করেছেন৷ এ ছাড়া বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়ও এসেছে অন্তত ২০ জনের নাম৷

এনএস/কেএম (দৈনিক প্রথম আলো)

নির্বাচিত প্রতিবেদন