পশ্চিম তীরে আরও তিন হাজার বাড়ি তৈরির অনুমোদন | বিশ্ব | DW | 01.02.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইসরায়েল

পশ্চিম তীরে আরও তিন হাজার বাড়ি তৈরির অনুমোদন

ইসরায়েলের সরকার মঙ্গলবার এই অনুমোদন দেয়৷ ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এই নিয়ে তৃতীয়বার এমন অনুমোদন দিল ইসরায়েল৷

ইসরায়েলের সরকার মঙ্গলবার এই অনুমোদন দেন৷ ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এই নিয়ে তৃতীয়বার এমন অনুমোদন দিল ইসরায়েল৷

এর আগে পশ্চিম তীরে আড়াই হাজার ও পূর্ব জেরুসালেমে সাড়ে পাঁচশ বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়৷ এই দুই জায়গাকেই ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যত স্বাধীন রাষ্ট্রের অংশ মনে করে৷ ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় এই দু'টি জায়গা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় ইসরায়েল৷

অবশ্য ফিলিস্তিনের পরিকল্পনার প্রতি আন্তর্জাতিক বিশ্বের বড় একটি অংশের সমর্থন আছে৷ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের সমালোচনা করে একটি রেজুলিউশন পাস করে৷ যুক্তরাষ্ট্র ভোটদান থেকে বিরত থাকায় এটা সম্ভব হয়েছিল৷ দেশটির এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিল ইসরায়েল৷ ডোনাল্ড ট্রাম্পও সে সময় টুইট করে বলেছিলেন, ২০ জানুয়ারির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে৷ উল্লেখ্য, সেদিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ট্রাম্প৷

ট্রাম্পের এমন মনোভাবে উৎসাহী হয়ে গত কয়েকদিনে তৃতীয় দফা নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিল ইসরায়েল৷ ট্রাম্প প্রশাসন এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷ অথচ বারাক ওবামা প্রশাসনকে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের এমন অনুমোদনের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছিল৷

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু যখন ১৫ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তখন তাঁদের মধ্যে এই বিষয়ে কথা হতে পারে বলে জানা গেছে৷ ইতিমধ্যে, বসতি স্থাপন সমর্থন করেন এমন ব্যক্তিকে ইসরায়েলে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প৷ এছাড়া মার্কিন দূতাবাস তেল আভিভ থেকে সরিয়ে জেরুসালেমে নিয়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন৷

শান্ত করার চেষ্টা?

ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট সোমবার এক রায়ে পশ্চিম তীরের আমোনায় বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে৷ সেখানকার বাড়িঘর ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ সুপ্রিম কোর্ট মনে করে ফিলিস্তিনিদের জমিতে অবৈধভাবে এই বসতিগুলো স্থাপন করা হয়েছিল৷

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর আমোনার বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়৷ এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন ‘আল্ট্রা ন্যাশনালিস্ট' বা উগ্র জাতীয়তাবাদীরা৷ তাঁদের শান্ত করতেই সরকার নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিল বলে মনে করা হচ্ছে৷

উল্লেখ্য, পশ্চিম তীরে প্রায় ১০০টি স্থানে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করা হয়েছে৷ আমোনা ছিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড়৷ অবশ্য এগুলো অবৈধ হলেও, অর্থাৎ সরকারের অনুমোদন না নিয়ে স্থাপন করা হলেও, প্রশাসন সেগুলো উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয় না৷

জেডএইচ/ডিজি (এপি, রয়টার্স)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়