পর্নহাবে ধর্ষণের ভিডিওর অভিযোগ, তদন্তে মাস্টারকার্ড | বিশ্ব | DW | 07.12.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অনলাইনে হয়রানি

পর্নহাবে ধর্ষণের ভিডিওর অভিযোগ, তদন্তে মাস্টারকার্ড

পর্নহাব ডট কম ওয়েবসাইটে কোনো নারী বা কিশোরীর অনুমতি ছাড়া রেকর্ড করা ভিডিও আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত করছে মাস্টারকার্ড৷

শুক্রবার নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পর্নহাব ডট কম ওয়েবসাইটে রয়েছে এমন কিছু ভিডিও যা আসলে শিশুদের ওপর যৌন হয়রানির ও ধর্ষণের প্রচার করছে৷ এসব ভিডিওতে দেখানো নারী ও কিশোরীদের রেকর্ডিংয়ের সময়ে কোনো হুঁশ ছিল না, সুতরাং ভিডিও করার বিষয়ে তাদের সম্মতির বিষয়টি স্পষ্ট নয় বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে৷

প্রতিবেদক নিকোলাস ক্রিস্টফ বলেন, ‘‘এখানে বিষয় আসলে পর্নোগ্রাফি নয়৷ এখানে আসল বিষয় ধর্ষণের প্রশ্ন৷ আমাদের বোঝা উচিত যে, কোনো একটি শিশু বা অন্য কারো সাথে ঘটা হয়রানিকে তাদের অমতে প্রচার করা আসলে অনৈতিক৷’’

এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে পর্নহাব সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে একটি ইমেলে জানায়, ‘‘আমরা যে শিশুদের ওপর যৌন হয়রানির কোনো ধরনের ভিডিও প্রচার করি, তা বলা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ মিথ্যা৷’’

পর্নদুনিয়াক্রেডিটকার্ডসংস্থা

বিশ্বের পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটের ব্যবসার সাথে  তাবড় ক্রেডিটকার্ড সংস্থা ও ব্যাংকেও যোগসূত্র রয়েছে৷ ফলে, এই ইস্যুতে উঠছে তাদের নামও৷

ক্রেডিটকার্ড সংস্থা মাস্টারকার্ড রয়টার্সকে জানিয়েছে যে, তারা পর্নহাবের মালিক ‘মাইন্ডগিক’ সংস্থার ব্যাংকিং গতিবিধির ওপর তদন্ত চালাচ্ছে৷ একটি বিবৃতিতে তারা জানান, ‘‘যদি এই অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়, তাহলে আমরা অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবো৷’’

বিখ্যাত হেজফান্ড ইনভেস্টর ও ধনকুবের বিল অ্যাকমান মাস্টারকার্ড ও ভিসার মতো ক্রেডিটকার্ড সংস্থাকে আপাতত পর্নহাবের সাথে সবরকমের লেনদেন বন্ধ রাখতে বলেছেন৷ তিনি অ্যামেরিকান এক্সপ্রেসকেও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন, যদিও অ্যামেরিকান এক্সপ্রেসের বক্তব্য, তারা কখনোই কোনো ধরনের পর্নসাইটের সাথে ব্যবসায় যায় না৷

অ্যাকমানের প্রস্তাব, কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়া এই ধরনের ভিডিও কোনো পর্নসাইটে তুলে দেওয়াকে নিষিদ্ধ করা হোক৷ সাথে, ভিডিওতে উপস্থিত সবার বয়স ও ভিডিওতে সম্মতি নিশ্চিত করে তবেই যাতে ছাড়া হয় এই ধরনের ভিডিও, তাতে জোর দেন বিল অ্যাকমান৷

পর্নহাবের দাবি, তারা প্রতিটি ভিডিও আপলোড করার সময় যাচাই করে থাকে৷

রাজনীতিতেওপর্নহাবেরপ্রভাব

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন রাজনীতির ময়দানেও আলোচনার সৃষ্টি করেছে৷ ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন যে, তার সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটর জশ হলি জানান, তিনি নতুন আইন প্রণয়নের চেষ্টা করবেন যাতে করে পর্নহাবের মতো সাইটগুলির মাধ্যমে হয়রানি বা পাচারের ঘটনাগুলিকে রাষ্ট্রীয় বিচারের আওতায় আনা যায়৷

এসএস/এসিবি (রয়টার্স)