‘পরিবেশ দূষণের জন্য কর্তা-ব্যক্তিদের গাফিলতিই দায়ী′ | পাঠক ভাবনা | DW | 15.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘পরিবেশ দূষণের জন্য কর্তা-ব্যক্তিদের গাফিলতিই দায়ী'

জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রকৃতিপ্রেমী মুকিত মজুমদার বাবুর সঙ্গে ডয়চে ভেলের ফেসবুক লাইভ সাক্ষাৎকার বাংলাদেশের পরিবেশ নিয়ে উঠে এসেছে পাঠকদের নানা মন্তব্য, প্রশ্ন, এমনকি কিছু অভিযোগও৷

বাংলাদেশের পরিবেশ সম্পর্কে  ডয়চে ভেলের পাঠক মমিন আজিজ খুব দুঃখ করেই লিখেছেন, ‘‘আমাদের ধানমন্ডি এলাকায় অবিরাম গাছ কাটা হচ্ছে, পেরেক মারা হচ্ছে গাছে৷ আমি একাই প্রতিদিন গাছ থেকে সাইনবোর্ড খুলি৷ লেকের অবস্থাও খারাপ৷ প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পরিবেশ মন্ত্রী সবার বাড়ি এই এলাকায়৷ সমাজের বহু সচেতন লোকের বাস, তারপরও ধানমন্ডির প্রাকৃতিক পরিবেশ দিন দিন খারাপ হচ্ছে৷''

প্রায় একই মত পাঠক গোলাম ফারুকের৷ তিনি লিখেছেন,‘‘উন্নয়নের নামে যখন গাছ কাটা হয়,দাপুটেরা যখন নদী দখল করে নেয়, পাহাড়ের টিলা কেটে সমান করে ফেলে, নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে কম উচ্চতার চিমনি দিয়ে ইট খোলা চালু করে, তথাকথিত শিল্পোন্নয়নের নামে শিল্প বর্জ্য যখন সাধারণ নর্দমা, খাল এবং নদীতে ছেড়ে দেয়  – তখনই পরিবেশ দূষণ বেশি মাত্রায় হয়৷ এর প্রতিটি ক্ষেত্র দেখার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থাকে সরকারের ওপর৷ তাহলে পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী জনগণের সচেতনতার অভাব নয়, বরং কর্তা-ব্যক্তিদের গাফিলতিই এর জন্য দায়ী৷ অথচ সাধারণ মানুষের চেয়ে এই কর্তা-ব্যক্তিরা বেশি শিক্ষিত এবং সচেতনতার দাবিদার৷ এঁরা কিন্তু চাইলেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পারেন নিজেদের কাজ ঠিকমত করার মধ্য দিয়ে৷''

অন্যদিকে জাভেদ হোসেনের মতে, পরিবেশ নিয়ে সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে কোনো লাভ নেই৷ কারণ তাঁর ধারণা, কিছু ক্ষমতাধর খারাপ লোকের জন্যই পরিবেশ আজ ধ্বংস হচ্ছে৷ মর্তুজা চৌধুরীর প্রশ্ন, ‘‘পরিবেশবাদীরা মানুষকে কতটুকু সচেতন করতে পেরেছেন?''

ফেসবুক লাইভে পরের প্রশ্ন পরিবেশবিদ মুকিত মজুমদারের কাছে তাহমিদ হোসেনের, ‘‘রাস্তার পাশের শত বছরের গাছ কাটা নিয়ে কি কিছু করেছেন বা কোনো পরিকল্পনা আছে?''

‘‘পরিবেশ সুন্দর রাখার ক্ষেত্রে সচেতনতার অনেক ঘাটতি রয়েছে আমাদের সমাজে, দেশে৷ কিন্তু সচেতনতা বাড়ছে না কেন?'' মুকিদ মজুমদারের কাছে সরাসরি প্রশ্ন পাঠক হাসান মাহমুদের৷

‘‘পরিবেশকে নির্মল রাখতে গ্রামীণ পরিবেশের উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত'', বলে মনে করেন লিয়াকত হোসেন৷ রিদওয়ান আলমের ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নেয়া এই সাক্ষাৎকারটি খুবই ভালো লেগেছে৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘প্রকৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করার জন্য ডয়চে ভেলেকে ধন্যবাদ৷'' এছাড়া পাঠক এম. এ. বারিকেরও ভালো লেগেছে পর্বটি৷ তিনি শুধু লিখেছে্ন ‘‘ডয়চে ভেলেকে অসংখ্য ধন্যবাদ''৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন