‘পরিকল্পনা ছিল ৩২ নম্বরে নাশকতার′ | বিশ্ব | DW | 15.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

‘পরিকল্পনা ছিল ৩২ নম্বরে নাশকতার'

ঢাকার পান্থপথে এক আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযানের মধ্যে আত্মঘাতী হয়েছে এক জঙ্গি৷ পুলিশের ধারণা, জাতীয় শোক দিবসকে ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো নিহত জঙ্গি সাইফুল ইসলামের৷

Bangladesch Polizei Symbolbild (Getty Images/AFP/M. Uz Zaman)

প্রতিকী ছবি

পান্থপথের আবাসিক হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনাল ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর বাসভবন থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত৷ বঙ্গবন্ধুর বাসভবনটি এখন জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে৷ প্রতি বছরই বিশেষ বিশেষ দিবসে জাদুঘরের সামনে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ৷

প্রতিবারের মতোই ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ৩২ নম্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদেরও৷

পুলিশ বলছে, বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাতেই এখানে অবস্থান নিয়েছিল সাইফুল৷ তবে আগে থেকেই খবর পেয়ে হোটেল ঘিরে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো গেছে বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও৷

১৫ আগস্ট ভোর বেলাই খবর আসে হোটেল ওলিওতে আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারে কোনো জঙ্গি৷ ভোর বেলা বন্ধ করে দেয়া হয় পান্থপথে যান চলাচল৷ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীর মধ্যে৷

হোটেলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশির সময় সাইফুলের রুম থেকে কোনো সাড়া মেলেনি৷ পরে তাকে আত্মসমর্পণের কথা বললেও তা সে করেনি৷

পুলিশ বলছে হোটেলে সোমবার রাতেই রুম ভাড়া নেয় নিহত জঙ্গি সাইফুল৷ তাকে আগে থেকেই নজরদারিতে রাখার কথাও জানিয়েছেন পুলিশের কর্মকর্তারা৷ আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে না পারায় অপারেশন ‘অগাস্ট বাইট' শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী৷

সকাল পৌনে দশটার দিকে কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দের সাথে সাথে সাইফুলের রুমে বিস্ফোরণ ঘটে৷ রাস্তার পাশেই অবস্থিত এ হোটেলের চারতলার দেয়ালের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়ে রাস্তার ওপর৷

এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর উপস্থিত সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিক ব্রিফ করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক শহীদুল হক৷ তিনি জানান, সাইফুলের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়ায়৷ তার বাবা একটি মসজিদের ইমাম৷

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাইফুলের বাবা স্থানীয় জামায়াতে ইসলামের নেতা বলে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে৷ সাইফুলও শিবির খুলনা বিএল কলেজে ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলে বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছে৷

তবে নাশকতার পরিকল্পনায় সাইফুলের সাথে আর কেউ জড়িত ছিল কিনা, সে ব্যাপারে কোন তথ্য জানা যায়নি পুলিশের কাছ থেকে৷

এডিকে/ডিজি

বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা কেন বাড়ছে? আপনার মন্তব্য লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন