পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার ঘোষিত হলো | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 09.10.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার ঘোষিত হলো

এ বছরের এই পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সের স্যার্জ আরোশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড, কোয়ান্টাম অপ্টিক্সে আলোকরশ্মি এবং পদার্থের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়ার উপর গবেষণার জন্য৷

রয়াল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস বলেছে, এই দুই বিজ্ঞানী প্রদর্শন করেছেন যে, একক কোয়ান্টাম কণিকাগুলিকে বিনষ্ট না করেও সেগুলি নিরীক্ষণ করা সম্ভব৷ এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম ফিজিক্সে পরীক্ষা-নিরীক্ষার একটা নতুন যুগের সূচনা ঘটল৷

নোবেল কমিটি বলেছে, দু'জনে এককভাবে কাজ করেছেন, কিন্তু দু'জনেই অতি ক্ষণভঙ্গুর কোয়ান্টাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং তার পরিমাপ নিতে সমর্থ হয়েছেন৷ ইতিপূর্বে ভাবা হতো যে, এই কোয়ান্টাম স্টেট সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়৷ বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কারের ফলে ভবিষ্যতে নতুন সুপার ফাস্ট কম্পিউটার এবং বর্তমানের সিজিয়াম ভিত্তিক আণবিক ঘড়ির চেয়েও সঠিক ঘড়ি তৈরি হতে পারবে৷

Nobelpreis Physik Serge Haroche David Wineland

ফ্রান্সের স্যার্জ আরোশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড

আরোশ প্যারিসের কোলেজ দ্য ফ্রঁস'এর অধ্যাপক৷ ওয়াইনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি ও কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করেন৷ তাঁর কাজ ছিল, বৈদ্যুতিক চার্জ যুক্ত অণু বা আয়ন'কে ধরে, আলোককণিকা বা ফোটনের মাধ্যমে সেই আয়নগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিমাপ করা৷ অপরদিকে আরোশ অণুকে একটি ফাঁদের মধ্য দিয়ে পাঠিয়ে ফোটন'কে নিয়ন্ত্রণ ও পরিমাপ করতে সমর্থ হয়েছেন৷

জটিল ব্যাপারটা যা'তে সাধারণের বোধগম্য হয়, সে'জন্য ওয়াইনল্যান্ড নিজেই একবার ঠাট্টা করে বলেছিলেন, ‘‘ওটা হল লোক'কে হাঁ করানো ম্যাজিক৷'' কেননা তাঁর আবিষ্কারে একই বস্তুকে দু'জায়গায় দেখানো যায়৷ আরোশ এবং ওয়াইনল্যান্ড নোবেল পাবার পর এখন এই গবেষণাক্ষেত্রে দেশ-বিদেশে তাঁদের অন্যান্য সতীর্থরাও বলছেন, তাঁদের কাজ যেন সাইন্স ফিকশনের একটা আজগুবি স্বপ্ন হঠাৎ বাস্তব প্রমাণিত হওয়ার মতো৷

অবশ্য কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কারবারই হল অণুর চেয়ে ছোট পদার্থ কণিকাগুলিকে নিয়ে, যাদের আচার-আচরণ, সব কিছুই খানিকটা খাপছাড়া, কিম্ভূতকিমাকার৷ শুধুমাত্র উচ্চতর গণিতবিদ্যার মাধ্যমেই নাকি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের এই ক্ষুদ্রতম উপাদানগুলিকে বর্ণনা করা যায়৷

এমন যাদের বিষয়, তারা নোবেল পুরস্কার পেলে যা করেন, আরোশও তাই করবেন বলে জানিয়েছেন: ‘‘প্রথমে শ্যাম্পেন খাব, তার পর সোজা ল্যাবোরেটরিতে৷''

এসি/এসবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন