পথে নামছে কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, পাল্টা প্রচারে বিজেপিও | বিশ্ব | DW | 13.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

পথে নামছে কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, পাল্টা প্রচারে বিজেপিও

সংসদে প্রতিবাদ করেও নাগরিকত্ব বিল পাস ঠেকাতে পারেনি বিরোধীরা৷ সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হতেই তারা বিলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে রাস্তায় নামছে৷ পাল্টা প্রচারে নামছে বিজেপিও৷

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে শনিবার রামলীলা ময়দানে ভারত বাঁচাও জনসভা করছে কংগ্রেস৷ সোমবার রাস্তায় নামছে তৃণমূল৷ সূত্র জানাচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাতে চলেছেন৷ তার আগে সপ্তাহান্তে তিনি দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন৷ ডিএমকের প্রতিবাদও শুরু হয়ে যাচ্ছে এর মধ্যে৷ সবকটি বাম দল একত্রে আগামী ১৯ তারিখ দেশ জুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে৷ এভাবেই একের পর এক বিরোধী দল নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে জনতার দরবারে যাচ্ছে

শনিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে কংগ্রস যে 'ভারত বাঁচাও' জনসভা করতে চলেছে, তাতে তারা নাগরিকত্ব বিল, এনআরসি, ৩৭০ ধারা বাতিল, বেকারত্ব বৃদ্ধির প্রতিবাদ করবে৷ দলের অন্তর্বর্তী সভাপতি হওয়ার পর এটাই হবে সনিয়া গান্ধীর প্রথম বড় জনসভা৷ সে জন্য দেশজুড়ে দলের নেতাদের দিল্লিতে ডাকা হয়েছে৷ পশ্চিমবঙ্গের নেতারাও দিল্লিতে এসেছেন৷ আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য সহ একগুচ্ছ নেতাও রামলীলায় থাকবেন৷ লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরী ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, ''নাগরিকত্ব আইন হল মোদী সরকারের নজর ঘোরানোর আইন৷ যাবতীয় সমস্যা থেকে লোকের নজর ঘোরানোর জন্য এই আইন আনা হয়েছে৷ না হলে ৩১ হাজার লোককে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক নির্দেশই যথেষ্ট ছিল৷ কংগ্রেস সর্বস্তরে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে৷''

বিজেপিও চুপ করে বসে থাকছে না৷ বিজেপি পাল্টা প্রচারে নামবে এই বলে, যে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল কোনওভাবেই মুসলিম বিরোধী নয়৷ তিনটি প্রতিবেশী দেশের নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া  হচ্ছে৷ বিজেপি মুখপাত্র সুদেশ বর্মা ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, ''আমরা অবশ্যই দেশের লোককে নাগরিকত্ব  বিল নিয়ে বোঝাব৷ কংগ্রেস সহ বিরোধীদের অপপ্রচারের জবাব দেব৷ লোকের জানা দরকার, মুসলিমরা এই আইনের কারণে বিন্দুমাত্র অসুবিধায় পড়বেন না৷''

এই প্রচার-পাল্টা প্রচার এবং নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিতর্কে বর্ষশেষের রাজনীতি ব্যস্ত থাকবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন