পতিতালয়ে জার্মান পুলিশের সবচেয়ে বড় অভিযান | বিশ্ব | DW | 18.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

পতিতালয়ে জার্মান পুলিশের সবচেয়ে বড় অভিযান

জার্মানির কেন্দ্রীয় পুলিশ বিভাগ বুধবার তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযানে অংশ নিয়েছে৷ এই সময় থাইল্যান্ডের এক নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার ও একশ'রও বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে৷

৫৯ বছর বয়সি ঐ থাই নারী মানবপাচারকারী এক গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা বলে জানিয়েছে জার্মানির সবচেয়ে বহুল প্রচারিত দৈনিক বিল্ড৷ ৬২ বছর বয়সি এক জার্মানের সঙ্গে মিলে ঐ নারী মানবপাচারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন৷ ৪১ জন নারী ও ১৫ জন পুরুষ এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত৷ এদের বয়স ২৬ থেকে ৬৬’র মধ্যে৷ তাদের বিরুদ্ধে বিদেশিদের পাচার, পতিতা হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করানোর চেষ্টা, কর ফাঁকি ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে৷

পুলিশের মুখপাত্র ইয়েন্স ফ্ল্যোরেন জানিয়েছেন,  অভিযানের সময় পুলিশ একটি গোষ্ঠীর খোঁজ করেছেযেটি থাইল্যান্ড থেকে যৌন কর্মীদের জার্মানিতে পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে৷ বিল্ড জানিয়েছে, জার্মান পুলিশ ৬০টির বেশি পতিতালয় ও অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়েছে৷ এর বেশিরভাগই নর্থরাইন ওয়েস্টাফালিয়া রাজ্যে অবস্থিত৷ জার্মানির ১৬টি রাজ্যের মধ্যে ১২টিতে অভিযান চলেছে৷ পতিতালয়ে পাওয়া পতিতাদের আটক করা হয়েছে৷

জার্মান পুলিশের এলিট বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় দেড় হাজার পুলিশ সদস্য অভিযানে অংশ নিয়েছে৷ পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রীয় পুলিশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় অভিযান৷

এদিকে, আরেক বিবৃতিতে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচিত ঐ মানবপাচারকারী গোষ্ঠীটি ভিসা জাল করে থাইল্যান্ড থেকে নারী ও হিজড়াদের জার্মানিতে নিয়ে আসে৷ একেকটি ভিসার জন্য গোষ্ঠীটি ১৬ থেকে ৩০ হাজার ইউরো নিয়ে থাকে৷ এরপর জার্মানিতে আসার পর নতুন নারীদের ঐ অর্থ পরিশোধ করার জন্য যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়৷

এভাবে গোষ্ঠীটি ৩২ জন থাই নাগরিককে জার্মানিতে এনেছে বলে প্রমাণ থাকার কথা জানিয়েছেন কৌঁসুলিরা৷

গতবছরের এপ্রিল মাসে পুলিশ প্রথম এ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এক মুখপাত্র৷

জেডএইচ/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন