নেদারল্যান্ডসে বরফের ভাস্কর্যের অভিনব উৎসব | অন্বেষণ | DW | 28.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

নেদারল্যান্ডসে বরফের ভাস্কর্যের অভিনব উৎসব

কনকনে শীতে বরফের বিশাল ভাস্কর্য দেখার অভিজ্ঞতা শরীরের জন্য সহজ না হলেও মন জুড়িয়ে যায়৷ নেদারল্যান্ডসের এক বরফ উৎসবে গোটা বিশ্বের ভাস্কররা ঐতিহাসিক নানা মুহূর্ত ফুটিয়ে তুলেছেন৷

ডাইনোসর থেকে শুরু করে ক্লিওপেট্রা৷ ভাইকিং যুগ থেকে শিল্প বিপ্লব৷ নেদারল্যান্ডসের স্ভলে শহরের তুষার উৎসবে কয়েক সহস্রাব্দের নিদর্শন শোভা পাচ্ছে৷ সারা বিশ্ব থেকে আসা দর্শকরা প্রায় সাড়ে পাঁচশ টন বরফের মূর্তি দেখে মুগ্ধ৷ তবে এমন প্রদর্শনী দেখতে হলে গায়ে যথেষ্ট গরম কাপড় থাকতে হবে৷

গোটা বিশ্বের প্রায় ৪০ জন ভাস্কর নেদারল্যান্ডসের স্ভলে শহরে নিজেদের সৃষ্টিকর্ম তুলে ধরেছেন৷দুই সপ্তাহের মধ্যে তাঁরা বরফ দিয়ে ভাস্কর্য তৈরি করেছেন৷ জার্মানির স্ভেন মোরাভিৎস শাকা জুলুর মূর্তি গড়ে তুলেছেন৷ প্রায় ২০০ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার জুলু উপজাতির প্রভাবশালী রাজা ছিলেন তিনি৷

ভিডিও দেখুন 02:19

নেদারল্যান্ডসের বরফ উৎসবে যা আছে

ভাস্করদের জন্য শুধু নিখুঁত শিল্প তৈরি করাই চ্যালেঞ্জ নয়৷ বিশাল হলের তাপমাত্রা মাইনাস দশ ডিগ্রি রাখা হয় বলে নিজেদের শরীর উষ্ণ রাখা বেশ কঠিন৷ বরফের চাঙড়গুলির উচ্চতা দুই মিটার পর্যন্ত ছুঁতে পারে৷ করাত ও ছেনি দিয়ে খোদাই করতে বেশ শক্তি প্রয়োগ করতে হয়৷ ক্যানাডার শিল্পী ডেনিস ক্লাইনে বলেন, ‘‘ইউরোপে এসে এত বড় আকারে এমন কাজ করার দারুণ মজা৷ এত দ্রুত এমন কাজের সুযোগ সহজে পাওয়া যায় না৷''

বরফের ভাস্কর্য তৈরির কাজের শেষে দর্শকদের মুগ্ধ হবার পালা৷ এই উৎসবের মূলমন্ত্র হলো ‘টাইম ট্রাভেল'৷ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তও বরফের ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে৷ উৎসব প্রকল্পের ম্যানেজার রুবেন স্কলটেন বলেন, ‘‘আগের বছরগুলির মতো এবারও আমরা সারা বিশ্বে সব বয়সের মানুষের জন্য গ্রহণযোগ্য বিষয়ের খোঁজ করেছি৷ বিভিন্ন সময়ের এই সব গল্প সুন্দরভাবে খাপ খেয়ে গেছে৷''

শীতে হাত জমে গেলেও এমন বরফের ভাস্কর্য দেখলে হৃদয় জুড়িয়ে যায়৷

জুলিয়া সাউডেলি/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন