নেতাদের জেলে বা নির্বাসনে রেখেই কাটালুনিয়ায় নির্বাচনি প্রচার শুরু | বিশ্ব | DW | 05.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

স্পেন

নেতাদের জেলে বা নির্বাসনে রেখেই কাটালুনিয়ায় নির্বাচনি প্রচার শুরু

বেলজিয়ামে নির্বাসনরত কাটালান নেতা কারলেস পুজেমন মাদ্রিদের কাছে ‘নতিস্বীকার' না করার জন্য কাটালুনিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন৷ মাদ্রিদ সরকারের দৃষ্টিতে কাটালান নেতারা এখনো ‘বিদ্রোহী'৷

স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার কাটালুনিয়ায় আঞ্চলিক নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন ২১শে ডিসেম্বর তারিখে৷ প্রাক-নির্বাচনি ভোটার সমীক্ষায় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও মাদ্রিদপন্থি দলগুলি প্রায় সমান সমান৷ তবে বহু স্বাধীনতাপন্থি প্রার্থী আপাতত জেলে কিংবা নির্বাসনে৷

এদিকে কাটালান নেতা কারলেস পুজেমন একটি ভিডিও বার্তায় তাঁর সমর্থকদের বলেছেন, ‘‘আমরা যাতে অন্যান্য প্রার্থীর সঙ্গে সমানভাবে নির্বাচনি প্রচার চালাতে না পারি, সেজন্য ওরা (মাদ্রিদ) যতরকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা সম্ভব, করতে চায়৷''

বেলজিয়ামে তাঁর নিরাপদ আশ্রয় থেকে পুজেমন বলেন যে, কাটালানদের ‘‘জাতি অথবা নতিস্বীকারের মধ্যে বেছে নিতে হবে; তারা বিভিন্ন কাটালান প্রতিষ্ঠান বা মাদ্রিদের সন্দেহজনক চরিত্রগুলির মধ্যে বেছে নিতে পারেন৷''

পুজেমনের সাবেক সহকারী ওরিয়ল হুঙ্কেরাস ও আরো তিনজন স্বাধীনতাপন্থি নেতা এখন কারাগারে৷ সোমবার স্পেনের সুপ্রিম কোর্টে তাঁদের জামিনের আবেদন নাকচ হয়৷ কেন্দ্রীয় সরকার পুজেমন ও তাঁর সহযোগীদের বিদ্রোহের দায়ে কারারুদ্ধ করতে চান৷ স্পেনে বিদ্রোহের অপরাধে ৩০ বছর অবধি কারাদণ্ড হতে পারে৷ আপাতত স্পেনের সরকারি কৌঁসুলিরা বিচারের জন্য পুজেমনকে বেলজিয়াম থেকে স্পেনে বহিষ্কারের চেষ্টা করছেন৷

পুজেমন ইইউ থেকে বিচ্ছিন্ন হবার ডাক দিয়েছেন

কাটালুনিয়ায় রাজনৈতিক সংকটের সূচনা ঘটে গত অক্টোবর মাসে, যখন পুজেমন একটি বিতর্কিত গণভোটের পর স্পেন থেকে কাটালুনিয়ায় স্বাধীনতা ঘোষণা করেন৷ কাটালানদের এক বিপুল অংশ স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিলেও, সামগ্রিক ভোট অপেক্ষাকৃত কম পড়েছে, কেননা, স্বাধীনতা বিরোধীরা ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন৷ মাদ্রিদ তৎক্ষণাৎ বার্সেলোনা সরকারকে বরখাস্ত করে ডিসেম্বরে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করে৷

পুজেমন ৩০শে অক্টোবর থেকেব্রাসেলসে অবস্থান করছেন এবং শুধু স্পেন থেকেই নয়, এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও কাটালুনিয়ার বিচ্ছিন্ন হওয়ার ডাক দিয়েছেন৷ তাঁর মতে, স্বাধীনতা সংক্রান্ত গণভোটের সময় বিভিন্ন নাগরিক অধিকার ভঙ্গের ঘটনা ঘটে, যেমন, পুলিশ জোর করে একাধিক ভোটকেন্দ্র বন্ধ করে দেয়, ব্রাসেলস যার বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য করেনি৷

সাম্প্রতিক জরিপে দেখা যাচ্ছে যে, স্বাধীনতাপন্থি দলগুলি বার্সেলোনার আঞ্চলিক সংসদে ৬৬ বা ৬৭টি আসন লাভ করবে, যা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে মাত্র একটি আসন কম৷ অপরদিকে স্বাধীনতা বিরোধী তিনটি দল ৫৯ বা ৬০টি আসন জয় করার আশা করতে পারে বলে জরিপে দেখা যাচ্ছে৷

এসি/এসিবি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন