নুরদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও চুরির মামলা | বিশ্ব | DW | 26.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

নুরদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও চুরির মামলা

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাচেষ্টার মামলা করেছেন৷ অভিযোগ আনা হয়েছে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন চুরিরও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ছাত্র ডিএম সাব্বির হোসেন বুধবার ঢাকার শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

নূরসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মামলার এজাহারে৷ এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকেও করা হয়েছে আসামি৷ তাদের বিরুদ্ধে ডাকসু ভবনে বহিরাগতদের নিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বাদী সাব্বির হোসেন সার্জেন্ট জহরুল হক হল ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি। এখন কোনো পদে না থাকলেও তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

২২ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনে নিজের কক্ষে হামলার শিকার হন ভিপি নুর ও তার সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের একদল নেতা-কর্মী। এরপর ৩১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল৷ তাদের মধ্যে নুরসহ আটজন এখনও হাসপাতালে আছেন৷ তবে নুরকে বৃহস্পতিবারই ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পরদিন নূর ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রইচ হোসেন শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এএসএম আল সনেট, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত তূর্যসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩৫ জনকে ওই মামলায় আসামি করা হয়।

তাদের মধ্যে আল মামুন ও তুর্যসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ রিমান্ডে নিয়েছে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। 

পুলিশ মামলা করার পরদিন আহত নূরের পক্ষে মামলা করতে শাহবাগ থানায় যান ডাকসুর সমাজ সেবা সম্পাদক  আখতার হোসেন। হামলার জন্য ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসাইনসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে সেখানে অভিযোগ করা হয়।

নূরের পাঠানো ওই অভিযোগেও মোবাইল ও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে মামলাটি আলাদাভাবে নথিভুক্ত না করে আগের দিন পুলিশের করা মামলার সঙ্গেই নূরের অভিযোগের তদন্ত করা হবে বলে সেদিন জানিয়েছিলেন শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান।

এডিকে/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়