নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ হলো উত্তর কোরিয়া | বিশ্ব | DW | 22.07.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ হলো উত্তর কোরিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে উত্তর কোরিয়া৷ পীত সাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ারও সমালোচনা করেছে দেশটি৷ উত্তর কোরিয়া বলছে, এটা শুধু ঐ অঞ্চল নয়, বিশ্বের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি৷

default

সীমান্ত অঞ্চলে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে গতকালই৷ আর সেখানে গিয়েই উত্তর কোরিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা অরোপের ঘোষণা দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন৷ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে হিলারি গেলেন ভিয়েতনামে৷ সেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম- এআরএফের নিরাপত্তা বিষয়ক সংলাপ৷ আর এতে অংশ নিচ্ছে উত্তর কোরিয়াও৷ পিয়ংইয়ংয়ের প্রতিনিধি দলটি আজ হ্যানয়ে নেমেই যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছে৷

উত্তর কোরিয়ার মুখপাত্র রি তোং ইল সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ওয়াশিংটনের এই ধরনের পদক্ষেপ শুধু কোরিয়া উপদ্বীপই নয়, বিশ্ব নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্যই হুমকি৷ যুক্তরাষ্ট্র যদি আন্তরিকভাবেই পরমাণু অস্ত্রমুক্ত কোরিয়া চায়, তাহলে এভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজ হবে না৷ সামরিক মহড়া আর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বাদ দিতে হবে৷ আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে৷ আর সেই দায়িত্ব নিতে হবে ওয়াশিংটনকেই৷''

দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজ টর্পেডোর আঘাতে ডুবে যাওয়ার পর থেকে কোরিয়া উপদ্বীপে উত্তেজনা চলছে৷ সৌলের দাবি, এই জন্য দায়ী উত্তর কোরিয়াই৷ যদিও কোরিয়া সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে৷ আর উত্তর কোরিয়ার সরকারকে চাপে রাখতেই ওই অঞ্চলে সামরিক মহড়ার কৌশল নিয়েছে ওয়াশিংটন৷

Senatorin Hillary Clinton, 20.01.2007

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন

পীত সাগরে এই মহড়া ভালো চোখে দেখছে না চীনও৷ তবে উত্তর কোরিয়াকে বশে আনতে চীনের ভূমিকা চায় ওয়াশিংটন৷ কারণ কমিউনিস্ট নেতা কিম জং ইল শাসিত দেশটির ওপর চীনের প্রভাব আছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা৷ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হ্যানয়ে নিরাপত্তা সংলাপের ফাঁকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন হিলারি৷ উত্তর কোরিয়ার ‘উস্কানিমূলক' কর্মকাণ্ড বন্ধে বেইজিংয়ের সহযোগিতা চাইবেন তিনি৷ বিশ্লেষকরাও বলছেন, উত্তর কোরিয়াকে সামলাতে হলে চীনের বিকল্প নেই৷ সৌল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইয়াং মু জিন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘‘অভ্যন্তরীণ অনেকে সমস্যায় এখন খাবি খাচ্ছে উত্তর কোরিয়া৷ তাই তারা নিজে থেকে উস্কানিমূলক কিছু করতে চাইবে না, যদি না চীনের সম্মতি থাকে৷ তাই চীনকে যদি কাজে লাগানো যায়, তবেই সমস্যার সুরাহা হতে পারে৷''

এআরএফ সংলাপের খসড়া ঘোষণায় দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজে হামলার নিন্দা করা হয়েছে৷ তবে এর জন্য সরাসরি উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করে কিছু বলা হয়নি৷ এছাড়া উত্তর কোরিয়ার পরমাণু সঙ্কট নিরসনে ছয় জাতি আলোচনা পুনরায় শুরুর ওপরও জোর দিচ্ছে এআরএফ৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম

সম্পাদনা : সঞ্জীব ব