নির্বাচনি সহিংসতায় ২১ দিনে নিহত ২২, আহত ২১৭৯ | আলাপ | DW | 31.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

নির্বাচনি সহিংসতায় ২১ দিনে নিহত ২২, আহত ২১৭৯

একাদশ জাতী‌‌য় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর দিন থেকে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত ২১ দিনে সারা দেশে ২২ জন নিহত ও  ২১৭৯ জন আহত হয়েছে৷ ভোটের দিনের সহিংসতা আগের ২০ দিনকে ছাড়িয়ে গেছে৷ ২৪ ঘণ্টায় নিহত ১৭ ও আহত ৪৭ জন৷

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে নির্বাচনি সহিংসতায় আহত আওয়ামী লীগ কর্মী ইসমাইল হোসেন (৫০) সোমবার সকালে মারা যান৷ ফলে এ নিয়ে ভোটের দিনের সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮৷

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, ১০ থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৫৬ জন প্রার্থী  (বেশিরভাগ বিএনপির, জাপা, সিপিবি ও বাম দলের তিনজন) হামলার শিকার হয়েছেন ও এসব হামলায় মোট  ২,১৩২ জন আহত হয়েছেন৷

গত ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ-এর পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা প্রসঙ্গে ডয়চে ভেলেকে বলেছিলেন, ‘‘সাধারণত বাংলাদেশের পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা গড়ে ৯০, এবার সে তুলনায় নিহতের সংখ্যা অনেক কম৷''

‘ক্রিয়েটিং প্যানিক: বাংলাদেশ ইলেকশন ক্র্যাকডাউন অন পলিটিক্যাল অপন্যান্টস অ্যান্ড ক্রিটিকস' শিরোনামে ৩৭ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ) বলছে, এবারের নির্বাচনে শুধুমাত্র ৯ থেকে ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে ৪৭টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, এতে চার ব্যক্তি নিহত হয়েছেন ও ৫৬০ জন আহত হয়েছেন৷

শেষ সপ্তাহে কমেছে সংঘাত

প্রচারণার শেষ সপ্তাহে বিজিবি ও সেনা মোতায়েনের ফলে সংঘাতের ঘটনা কমেছে৷ জাতীয় গণমাধ্যমগুলোয় পরিবেশিত খবর অনুযায়ী প্রচারণার শেষ সাত দিন, অর্থাৎ ২১ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সহিংসতায় ৩৮০ জন আহত হন৷

প্রচারণার শেষদিনে ৭ হামলা এবং তাতে আহত হন ৮৬ জন৷ নির্বাচনি প্রচারণার শেষদিনে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সেনবাগ, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও মানিকছড়ি এবং চট্টগ্রামের পটিয়া ও  বাঁশখালীতে নির্বাচনি প্রচারণাকে ঘিরে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে৷ এতে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির  ৮৬ জন নেতা-কর্মী আহত হন৷

২৬ ডিসেম্বর ভালুকা, সাতক্ষীরা ১, ২ ও ৪ আসনে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ ভালুকায় সাংবাদিক ও পুলিশসহ ১৯ জন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন৷ অন্যদিকে পাবনায় বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করা হয়৷ হামলায় মোট ১৪ জন আহত হয়৷ হামলার অভিযোগ এ সময় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে৷ একইদিনে আওয়ামী লীগের রাঙ্গামাটি কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা৷

২৫ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি, পঞ্চগড়, সাতক্ষীরা, যশোর ও বগুড়ায় সহিংসতার ঘটনায় ২০ জন আহত হন৷ এছাড়া এদিন বিএনপি নেতা গয়েশ্বর রায়ের ওপর হামলা হয়৷ এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ৩০ নেতা-কর্মী আহত হন৷

গত ২৪ ডিসেম্বর বিএনপি প্রার্থীসহ, ১৩২ জন আহত হন৷ নোয়াখালী, শরীয়তপুর, লক্ষ্মীপুর, নাটোর, চাঁদপুর, নরসিংদি, শেরপুর, বরিশাল, খুলনায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে৷ এদিন শরীয়তপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মিয়া নূরউদ্দিন অপু প্রচারণার সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন৷ এ দিন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের ওপরও হামলা হয়৷ সেই ঘটনায় পাঁচজন বিএনপি নেতা-কর্মী আহত হয় বলে জানা গেছে৷ সেদিনই ঢাকা-১ (নবাবগঞ্জ-দোহার) আসনের নবাবগঞ্জের যমুনা টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে৷ এতে কমপক্ষে ১০ জন সাংবাদিক আহত হন৷

২৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বিএনপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহারের গাড়িবহরে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে৷ এতে ১৬ জন গুরুতর আহত হন৷

২২ ডিসেম্বর নোয়াখালীর সুবর্ণচরে হামলার ঘটনায় বিএনপির ২০ ও আওয়ামী লীগের ১১ জন কর্মী আহত হন৷ এদিন জামালপুরের মেলান্দহে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ৷ একই দিনে নরসিংদীতে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুর এলাহীর প্রধান নির্বাচনি ক্যাম্পে হামলায় মাহিয়া (৮) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রী গুলিবিদ্ধ ও  ১০ জন আহত হয়৷

নির্বাচনি প্রচারণার শেষ সপ্তাহে সবচেয়ে কম হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে ২১ ডিসেম্বর৷ সেদিন চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর মিছিল এবং সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটে৷ এতে ১৩ জন আহত হন৷ এছাড়া চট্টগ্রামের পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. ইউসুফ (২৭) গুলিবিদ্ধ হন৷

দ্বিতীয় সপ্তাহে হামলা পালটা হামলার তাণ্ডব

প্রচারণার দ্বিতীয় সপ্তাহটি কেটেছে হামলা-পালটা হামলা, অগ্নি সংযোগ ও মামলায়৷ শুধু  ১৭ ডিসেম্বরই বিভিন্ন স্থানে হামলায় ১৩ প্রার্থী  ও ৮৭৫ নেতা-কর্মী আহত হয়৷ ফলস্বরূপ সহিংসতা রোধে ১৮ ডিসেম্বর থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়৷ এ সপ্তাহে নানা সহিংসতায় আহত হন ১৪১৭ জন৷

২০ ডিসেম্বর সারাদেশে ১২টি নির্বাচনি এলাকায় ঘটে সহিংসতার ঘটনা৷ এতে আহত হন ৭৩ জন৷

১৯ ডিসেম্বর ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালামের নির্বাচনি প্রচারণায় হামলার অভিযোগ ওঠে৷ হামলায় প্রচার মাইক কেড়ে নেয়া ও মনির নামে এক কর্মীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ করেন প্রার্থী নিজেই৷ এছাড়া ৯ জেলায় ১১ হামলার ঘটনা ঘটে৷ এতে ৭৭ জন আহত হন৷ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও বগুড়াতেও হামলার ঘটনা ঘটে৷

১৮ ডিসেম্বর পিরোজপুর-১ আসনের বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র প্রার্থী ডা. তপন বসুর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে৷ এতে তিনি আহত হন৷ এছাড়া টাঙ্গাইলের সখীপুরে পুলিশের গাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে৷ হামলায় সখীপুর থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ চার জন পুলিশ ও আট জন হামলাকারী আহত হন৷ অন্যদিকে  ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদের মিছিলে হামলার ঘটনায় ১০ কর্মী নিহত হন৷

১৭ই ডিসেম্বরে ১১ জেলায় কমপক্ষে ২৬টি হামলার ঘটনা ঘটে৷ এর মধ্যে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের মিছিলে হামলার ঘটনা ছিল সর্বাধিক৷ এদিন সর্বোচ্চ ১৩ প্রার্থী ছাড়াও ৮৭৫ জন বিরোধীদলীয় সমর্থক আহত হন৷ একই দিনে হামলা পালটা হামলায়  আওয়ামী লীগের দুই নেতা ও ৭৫ জন কর্মী আহত হন৷

এর আগে  গত ১৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম, নরসিংদি, ভোলা, টাঙ্গাইল, চাঁদপুর, বাগেরহাট, নোয়াখালি, নাটোর, রাঙামাটি, ফরিদপুরে

হামলা-পালটা হামলার ঘটনায় ১৮২ জন আহত হন৷

টাঙ্গাইলে লতিফ সিদ্দিকীর গাড়ি বহরে হামলা ছিল সেদিনের সবচয়ে আলোচিত ঘটনা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

১৫ ডিসেম্বর ফরিদপুর-৪ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী জাফরউল্লাহ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন৷ এদিন শেরপুরের নকলায় নির্বাচনি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় ২৫ জন আহত হন৷ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি সদরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ একাধিক নেতা-কর্মীকে লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে৷ এ ঘটনায় সাতজন আহত হন৷ একই দিনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-লোহাগাড়া) আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রমের নির্বাচনি প্রচারণায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা৷ এ ঘটনায় অলি আহমদের ছেলেসহ অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হন৷

১৪ ডিসেম্বর ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে, এতে ২৫ জন আহত হন৷ এছাড়া ১৪ ডিসেম্বর হাতিয়ায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে ৩০ জন আহতের ঘটনা ঘটে৷

শুরুতেই নিহত ৩

প্রচার-প্রচারণা শুরুর দিনেই এক যুবলীগ নেতা নিহতের ঘটনা ঘটে৷ পরের দিন ১১ ডিসেম্বর দুটি পৃথক সংঘাতে আওয়ামী লীগের আরো দুই নেতা নিহত হন৷ এ সপ্তাহে আহত হয় ৩৩৫ নেতা-কর্মী৷ 

১০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর পরের দিন নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের সংঘর্ষে যুবলীগের এক নেতা নিহত হন৷ মিছিলে হামলার ঘটনায় নোয়াখালীর এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান৷ এছাড়া সে ঘটনায় ৮-১০ জন আহত হন৷ এছাড়া ৮টি জেলায় হামলার ঘটনায় ৫১ জন আহত হন৷

১১ ডিসেম্বর পৃথক দু'টি ঘটনায় আওয়ামী লীগের দুই সদস্য নিহত হন৷ এছাড়া বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা হয়, এতে সাতজন আহত হন৷ এর আগে ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ধাওয়া-পালটা ধাওয়ায় ১৯ জন আহত হন৷

১২ ডিসেম্বর ১৭ জেলায় সহিংসতার ঘটনায় ১৩১ জন আহত হন৷ রাজশাহী,বাগেরহাট, ফরিদপুর, নাটোর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নওগাঁ, নোয়াখালী চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, শেরপুর, মাগুড়া, নেত্রকোনাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে হামলা ও কার্যালয় ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে৷

১৩ ডিসেম্বর ধানের শীষ প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের গাড়িবহরে ও জোনায়েদ সাকির মিছিলে হামলা হয়৷ এদিন সারা দেশের ১৬ আসনে হামলা-পালটা হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে ১২৫ জন আহত হন৷

হামলার শিকার সংখ্যালঘু পরিবার!

নির্বাচনকে সামনে রেখে বরাবরের মতোই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে৷ বেশ কয়েকটি হিন্দুবাড়িতে আগুন জ্বালানো ও হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ গত ২১ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের সিংগিয়া শাহাপাড়া গ্রামের কৃষ্ণ ঘোষের বাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা৷

এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়ন পরিষদের আলমপুর গ্রামে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয় শিশির শীলের চারটি ঘর৷ এছাড়া সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার ধুকুরিয়ায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জগদীশ সাহার বাড়িতে বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে গত ১১ ডিসেম্বর৷

৩০ জেলায় অধিক সহিংসতা

সারাদেশের সহিংসতায় ৩০টি জেলার নাম সবচেয়ে বেশি বার উঠে এসেছে৷ এই ৩০টি জেলা হচ্ছে – ঢাকা মহানগর, চাঁদপুর, কুমিল্লা, জামালপুর, ঝিনাইদহ, ভোলা, চট্টগ্রাম, শেরপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ময়মনসিংহ, ঠাকুরগাঁও, নোয়াখালী, রাজশাহী, যশোর, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, নরসিংদী, নাটোর, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, জয়পুরহাট, মেহেরপুর, রংপুর, পাবনা, সাতক্ষীরা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ ও হবিগঞ্জ৷

আওয়ামী লীগের বিবৃ্তি

নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হওয়ার পরপরই আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় ৪৪৫ নেতা-কর্মী আহত হন, এছাড়া ১৪৭টি নির্বাচনি ক্যাম্পে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়৷

বিএনপির দাবি

এদিকে বিএনপি এক বিবৃ্তিতে দাবি করেছে, গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিরোধী দলসমূহের (যাদের অধিকাংশ বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিশ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী) উপর করা ২৮৩৩ হামলায় ১২,৯২৩ জন আহত হয়েছেন৷ ৮ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ১৫৭৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ একই সময়ে ১৫৫৬৮ জন নেতা-কর্মী গ্রেফতার হয়েছেন বলেও দাবি করেছে দলটি৷

তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বাংলা ট্রিবিউন, ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, জাগো নিউজ, ডেইলি সান

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন