নির্বাচনকে সামনে রেখে জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা | বিশ্ব | DW | 07.10.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

নির্বাচনকে সামনে রেখে জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা

বাংলাদেশে সম্প্রতি জঙ্গি তৎপরতা কমে এলেও চট্টগ্রামের ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে গোয়েন্দাদের৷ তারা নির্বাচনের আগে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনার আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না৷

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে শুক্রবার একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের পর দু'জনের ছিন্নভিন্ন লাশ উদ্ধার করেছে র‌্যাব৷ বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত মিরসরাইয়ের উত্তর সোনাপাহাড় গ্রামের ‘চৌধুরী ম্যানশন'-এ অভিযান চালানো হয়৷ অভিযান শেষে ওই বাড়ি থেকে একটি একে-২২ রাইফেল, ৫টি অবিস্ফোরিত বোমা এবং তিনটি ছুরিসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে৷ র‌্যাব বলছে, চট্টগ্রামের আদালত ভবন উড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল ওই জঙ্গিদের৷ নিহত দু'জন জেএমবির সক্রিয় সদস্য৷ তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেননি তারা৷

অডিও শুনুন 00:30

‘তারা চট্টগ্রামের আদালত ভবনে হামলার পরিকল্পনা করেছিল’

চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘তারা চট্টগ্রামের আদালত ভবনসহ আরো কিছু টার্গেটে হামলার পরিকল্পনা করেছিল৷ এখন আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি৷ এখনই বলা যাচ্ছে না যে তারা কী কারণে এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল৷''

তিনি বলেন, ‘‘এই ঘটনায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা হয়েছে৷ নিহত দুই জঙ্গির মরদেহ আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে দেয়া হয়েছে৷''

প্রসঙ্গত, ঢাকার অনলাইন পত্রিকা বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার নুরুজ্জামান লাবু জঙ্গি বিষয়ক রিপোর্ট করেন৷ তিনি সাম্প্রতিক জঙ্গি কার্যক্রমের ওপর নজর রাখছেন৷

অডিও শুনুন 00:54

‘তাদের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে’

ডয়চে ভেলেকে লাবু বলেন, ‘‘জঙ্গিরা গণতন্ত্র ও নির্বাচনকে কুফরী মতবাদ হিসেবে দেখে৷ তাই তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুনভাবে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে৷ তবে তারা যে ভোট কেন্দ্রে বা বুথে নাশকতা করতে পারে তা নয়, তারা ব্যক্তি বা স্থাপনায় হামলা চালিয়ে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাইতে পারে৷''

তিনি বলেন, ‘‘জঙ্গিদের যে অভ্যন্তরীণ গোপন আলোচনার মাধ্যম, সেখান থেকে স্পষ্ট যে তারা টার্গেটেড কিলিং-এর দিকে ঝুঁকছে৷ গত ২৩ সেপ্টেম্বর জেএমবি'র প্রোপাগান্ডা চ্যানেলে একটি বার্তাও দেয়া হয়েছে যে তারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে৷ আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিভন্ন সময় এমন তথ্য পেয়েছে যে জঙ্গিরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নাম ঠিকানা ও পরিচয় সংগ্রহ করছে৷ তারা নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও স্থাপনায় হামলা চালিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে৷''

অডিও শুনুন 02:10

‘জঙ্গিরা গণতন্ত্র ও নির্বাচনকে কুফরী মতবাদ হিসেবে দেখে’

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান ডয়চে ভলেকে বলেন, ‘‘হোলি আর্টিজান হামলার পর ব্যাপক অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতার মুখে জঙ্গিরা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে৷ তাদের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে৷ তারপরও কিছু জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে৷ যারা বিভিন্ন মামলার আসামি, তাদের এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি৷''

তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘‘জঙ্গিরা গণতন্ত্র বিরোধী৷ তারা আল্লাহর আইন চায়৷ তারা নির্বাচন বিরোধী৷ তাই নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা যেকোন ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করে থাকতে পারে৷ আমরা এমন আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছিনা৷ আমাদের কাছে এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই৷ তবে আমরা আমাদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় রেখেছি৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন