নিরাপত্তা পরিষদ থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কারের দাবি | বিশ্ব | DW | 29.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউক্রেন

নিরাপত্তা পরিষদ থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কারের দাবি

দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। একইসঙ্গে রাশিয়াকে 'সন্ত্রাসী রাষ্ট্র' বলেও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতিসংঘে বক্তৃতা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সেখানে রাশিয়াকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলে দাবি করেন তিনি। সম্প্রতি ইউক্রেনের মলে রাশিয়ার হামলার কথা উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেন, ওই হামলায় বহু বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ আহত। এটা যুদ্ধও নয়, সন্ত্রাসী হামলা। বস্তুত, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনকে সরাসরি সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছেন জেলেনস্কি।

জাতিসংঘের কাছে এই ঘটনার তদন্তের দাবি করেছেন জেলেনস্কি। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, এই ঘটনার পর রাশিয়াকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা উচিত।

যুদ্ধের মাঝেই দেশে ফিরছেন যে শরণার্থীরা

রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

জেলেনস্কির মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে রাশিয়া। জাতিসংঘে রাশিয়ার ডেপুটি রাষ্ট্রদূত বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদ কারো পি আর ক্যাম্পেইনের জায়গা নয়। জেলেনস্কি এখানে এসে সেকাজই করছেন আরো অস্ত্র পাওয়ার জন্য। জাতিসংঘের উচিত এ কাজ বন্ধ করা।

ইউক্রেনকে আরো হাউইৎজার

ন্যাটোর বৈঠকে জার্মানি জানিয়েছে, নেদারল্যান্ডস এবং জার্মানি ইউক্রেনকে আরো হাউইৎজার পাঠাবে। মোট ছয়টি হাউইৎজার মিসাইল পাঠানো হবে বলে তারা জানিয়ছে। যা আপাতত ইউক্রেনের জন্য যথেষ্ট। জার্মানি বলেছে, প্রাথমিকভাবে তারা এধরনের অস্ত্র ইউক্রেনের হাতে তুলে দিতে চাইছিল না। কিন্তু যেভাবে ইউক্রেনের উপর হামলা চলছে, তাতে তারা বাধ্য হয়েই ইউক্রেনকে এধরনের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে। উল্লেখ্য, হাউইৎজার ৪০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে পারে। তবে এধরনের অস্ত্র ইউক্রেনকে দেওয়ার আগে চুক্তি হয়েছিল, ইউক্রেন কোনোভাবেই এই অস্ত্র রাশিয়ার ভিতরে প্রয়োগ করতে পারবে না।

জি-৭ বৈঠকে সিদ্ধান্ত

জি-৭ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যতদিন যুদ্ধ চলবে, ততদিন ইউক্রেনকে লাগাতার সাহায্য করে যাওয়া হবে। সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, রাশিয়ার তেলের দামে ক্যাপ বসানো হবে। অর্থাৎ, তেলের দামের ঊর্দ্বসীমা স্থির করা হবে। বিশ্ববাজারে ওর চেয়ে বেশি দামে রাশিয়া তেল বিক্রি করতে পারবে না। এর ফলে রাশিয়ার অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন জি-৭ এর নেতারা।

বালিতে রাশিয়া নেই

কিছুদিনের মধ্যেই ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০-র বৈঠক শুরু হচ্ছে। সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুটিনকে আহ্বান জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে রাশিয়াকে না ডাকা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে ইউক্রেনের মলে রাশিয়ার মিসাইল হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরো বেড়েছে। মঙ্গলবার রাতে মৃতের সংখ্যা ১৬ হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি। রাশিয়া দাবি করেছে, ওই এলাকায় ইউক্রেন অস্ত্র মজুত করেছিল। সে কারণেই সেখানে হামলা চালানো হয়। কিন্তু জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ওই মলে এমন কোনো কিছুই ছিল না।

 এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি, ডিপিএ)