নিরাপত্তার নামে নারী হয়রানি, এমিরেটস-এর ফ্লাইট স্থগিত | বিশ্ব | DW | 25.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

টিউনিশিয়া

নিরাপত্তার নামে নারী হয়রানি, এমিরেটস-এর ফ্লাইট স্থগিত

রাষ্ট্রের সীমায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অবতরণ করতে বাধা দিয়েছে টিউনিশিয়া৷ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার নামে টিউনিশিয় নারীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নিলো দেশটি৷

টিউনিশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী রোববার এক ঘোষণায় বলেন, উত্তর আফ্রিকার দেশ থেকে আসা ইউনাইটেড আরব এমিরেটস-এর একটি বিমান রাষ্ট্রের সীমায় অবতরণ করতে দেয়া হয়নি৷ ঘোষণায় আরো জানানো হয়, এমিরেটস-এর কোনো ফ্লাইটই আপাতত রাজধানী টিউনিসে অবতরণ করতে দেয়া হবে না৷ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তি মেনে ফ্লাইট পরিচালনা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ থাকবে বলেও জানানো হয়৷ টিউনিশিয়ার পরিবহন মন্ত্রীর ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা জানানো হলেও এ সিদ্ধান্তের কোনো কারণ জানানো হয়নি এতে৷ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে টুইটারে জানানো হয়েছে, টিউনিশিয়ার কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুবাই থেকে টিউনিস পর্যন্ত এমিরেটস-এর সব ফ্লাইট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷ সোমবার থেকে কার্যকর হচ্ছে এ সিদ্ধান্ত৷

এ ঘটনার দু'দিন আগে কয়েকজন টিউনিশীয় নারী অভিযোগ তোলেন, টিউনিস এয়ারপোর্ট থেকে দুবাইগামী এমিরেটস-এর ফ্লাইটে উঠতে দেয়া হয়নি তাঁদের৷ তাঁরা জানান, কারো কারো ক্ষেত্রে কোনো কারণ না দেখিয়েই যাত্রা বিঘ্নিত করা হয়েছে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ভিসা পরীক্ষা করা দেখা হয়েছে অহেতুক৷ এ তথ্য প্রকাশিত হবার পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে শুরু করে গণমাধ্যম – সব খানেই ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় টিউনিশিয়ার বাসিন্দারা৷

অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও বলা হয়েছে ‘নিরাপত্তা' সংক্রান্ত কারণেই এ যাত্রা বিরতি ঘটেছে৷ ইউএই-এর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আনোয়ার গারগাশ এক টুইট বার্তায় জানান, ‘‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের বিষয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা টিইনিশিয়ার ভাইদের সাথে যোগাযোগ করছে৷ টিউনিশীয় নারীদের আমরা মূল্য দেই এবং তাঁদের সম্মান করি৷''

শুক্রবার টিউনিশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে ইউএই-এর রাষ্ট্রদূতের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়৷ টিউনিশিয়ার বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে এ অবমাননাকর ও বর্ণবাদী এ আচরণের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করা হয়৷ ২০১১ সালে উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে বিদ্রোহের পর থেকে  ইউএই-এর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করে আসছে টিউনিশিয়া৷ ক্ষমতাশীন ইসলামি দল আল-নাহদার সাথে কাতারের সুসম্পর্ক রয়েছে যার ফলে দূরত্ব তৈরি হয়েছে ইউএই, সৌদি আরব, বাহরাইন ও মিশরের সাথে৷ এ চার দেশই কাতারকে ‘সন্ত্রাসী' রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছিল যা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে কাতার

আরএন/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন