নিমতিতার বিস্ফোরণে যুক্ত সন্দেহে বাংলাদেশি ধৃত | বিশ্ব | DW | 24.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

নিমতিতার বিস্ফোরণে যুক্ত সন্দেহে বাংলাদেশি ধৃত

নিমতিতা বিস্ফোরণ-কাণ্ডে একজন বাংলাদেশের নাগরিককে আটক করলো সিআইডি। মঙ্গলবার গভীর রাতে তাঁকে ধরা হয়।

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নিমতিতার স্টেশনে বিস্ফোরণ হয় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। মারাত্মকভাবে জখম হন রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন। তাঁর বাঁ পা ও হাতের আঙুল  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে বাংলাদেশি শেখ নাসিমকে আটক করেছে সিআইডি। মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত তাঁকে জেরা করা হয়েছে। পরে আরো জেরা করা হতে পারে।

সিআইডি সূত্রের খবর, ধৃত শেখ হাসিম গত কয়েক মাস ধরে স্টেশনের বাইরে হকারি করত। বিস্ফোরণের আগে তাঁকে কয়েকদিন স্টেশনে ঘুরতে দেখা গেছে। তার থেকে সিআইডি-র ধারণা হয়েছে, শেখ নাসিম সবকিছু দেখে নিচ্ছিলেন। তিনি মূল অভিযুক্ত না কি সাহায্যকারী তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  গত কয়েকদিন ধরে সিআইডি অফিসাররা স্টেশন থেকে বেশ কিছু সূত্র পেয়েছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ তাঁরা বারবার দেখেছেন। সেখান থেকেই স্টেশনের ভিতর শেখ নাসিমের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখতে পান তাঁরা। তারপর তাঁকে আটক করা হয়েছে।

তদন্তে নামার পর সিআইডি অফিসার ও গোয়েন্দারা বিস্ফোরণের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি-র কোনো যোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছিলেন। এর আগে খাগড়াগড় বিস্ফোরণে জেএমবি জড়িত ছিল বলে অভিযোগ। এনআইএ এর আগে বলেছে, বাংলা ও অসমে আল কায়দার বিস্তারে জেএমবি-র হাত আছে।

তবে নিমতিতা স্টেশনে বোমা বিস্ফোরণের পর প্রশ্ন উঠেছিল, এটা কি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ঝগড়ার ফল? প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর অভিযোগ, জাকির হোসেন অনেক তৃণমূল নেতার রুটি-রুজিতে হাত দিয়ে দিয়েছিলেন। গরু পাচার নিয়ে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা চলছিল। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। এতদিন ধরে পুলিশ কেন একজনকেও গ্রেপ্তার করতে পারল না, সে প্রশ্নও অধীর করেছিলেন।

প্রবীণ সাংবাদিক শুভাশিস মৈত্র ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, ''শেখ নাসিম দোষী কি না, তা স্পষ্ট নয়। তাঁকে তো এখন শুধু জেরা করা হচ্ছে। আর পশ্চিমবঙ্গের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কিছু খারাপ নয়। এর থেকে অনেক বেশি সন্ত্রাসবাদী তো দিল্লি থেকে ধরা পড়ে। তাই পুরো বিষয়টা স্পষ্ট না হলে কিছু বলা মুশকিল।''

জিএইচ/এসজি(পিটিআই, এএনআই, আনন্দবাজার)