‘নিউজিল্যান্ডে আবাসন সংকট মানবাধিকারেরও সংকট’ | বিশ্ব | DW | 02.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ড

‘নিউজিল্যান্ডে আবাসন সংকট মানবাধিকারেরও সংকট’

নিউজিল্যান্ডে বাড়িঘরের দাম হু হু করে বাড়ছে। দেশটি মানবাধিকার কমিশন বলছে, পরিস্থিতি মানবাধিকার সংকটের পর্যায়ে পৌঁছেছে৷

গত এক বছরে ত্রিশ শতাংশ বেড়েছে নিউজিল্যান্ডে বাসা ও বিভিন্ন জমি-সম্পত্তির দাম। যদিও চলতি বছরে বাজারে স্থিতি আনতে প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন বেশ কয়েকটি নতুন নীতি প্রণয়ন করেছেন, কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সরকারের অতিমারিজনিত সহায়তা প্রকল্পের সুযোগ নিয়ে দেশটির জমি ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়েছেন।

নিউজিল্যান্ডের মুখ্য মানবাধিকার কমিশনার পল হান্টের মতে, "আওটিয়ারোয়াতে (এটি নিউজিল্যান্ডের নাম স্থানীয় আদিবাসী মাওরি ভাষায়) আবাসন সংকট এখন মানবাধিকারের সংকটে পরিণত হয়েছে। বাসা ও জমির মালিকানা, সরকারি আবাসন ও অন্যান্য খাতে সমস্যা সৃষ্টি করার পাশাপাশি গৃহহীনতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে দেশের প্রান্তিক গোষ্ঠীগুলির ওপর।" 

অতিমারির সময়ে সরকার বেশ কিছু নতুন নীতি প্রণয়ন করে, যার মাধ্যমে সচ্ছল কিউয়িরা কম সুদে ও খরচে নিজেদের বাসা সংস্কার করেন ও চড়া দামে সেই সব সম্পত্তিকে বাজারে ছাড়েন। এর ফলে, বাজারে সম্পত্তির দাম বেড়ে যায় ৩০ শতাংশ, যা এর আগেই গত কয়েক দশকে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯০ শতাংশের কাছাকাছি।

এই পুরো ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন দেশের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্যরা।

পল হান্ট বলেন, "যদিও এই দেশে সবার জন্য সম্মানজনক বাসস্থানের অধিকার রয়েছে খাতায়-কলমে, বর্তমান আওটিয়ারোয়াতে তা চোখে পড়ে না।"

চাপে আর্ডার্ন

জাতিসংঘের আবাসন বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি লেইলানি ফারহা জুনমাসে তার একটি প্রতিবেদনে বলেন যে পরপর বেশ কয়েকটি সরকার নিউজিল্যান্ডে এই আবাসন সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। বাসার দাম ও ভাড়া বাড়ার কারণে জরুরি আবাসনে যেতে হয়েছে বহু মানুষকে। ২৩ হাজার পরিবার ও ব্যক্তিরা বর্তমানে সরকারি আবাসন প্রকল্পে নথিভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।

জাসিন্ডা আর্ডের্ন সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আবাসন সমস্যাটি, বলে মনে করছেন দেশটির রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। করোনাকালে আর্ডার্নের বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রশংসিত হলেও আবাসন সমস্যা সমাধানে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এসএস/এসিবি (রয়টার্স)