নারী ইমামের নেতৃত্বে নামাজ নিয়ে বিতর্ক | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 12.09.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ফ্রান্স

নারী ইমামের নেতৃত্বে নামাজ নিয়ে বিতর্ক

ফ্রান্সে দুই মুসলিম নারী ইমামের নেতৃত্বে নারী-পুরুষ একত্রে নামাজ পড়া নিয়ে চলছে বিতর্ক৷ অনেকে একে সমর্থন জানালেও কেউ কেউ তা ইসলামবিরোধী বলে মন্তব্য করছেন৷

নারী ইমামের পেছনে বসে নামাজ পড়তে চান না অনেকেই

নারী ইমামের পেছনে বসে নামাজ পড়তে চান না অনেকেই

আরও অনেক মুসলিম নারীই ফ্রান্সে ইমামতি করতে চান৷ তবে বরাবরই নানা বাধার কারণে তারা সে সুযোগ পাচ্ছিলেন না৷ কিন্তু ৭ সেপ্টেম্বর ইভা জানাদিন ও আন্নে-সোফি মোসিনে সে কাজটিই করে দেখালেন৷ তাদের ইমামতিতে নামাজ পড়েন ৬০ জনের মতো মুসল্লি৷

এই নামাজে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা কোনো বসার ব্যবস্থা রাখা হয়নি৷ তবে কোন মসজিদে এমন আয়োজন করা হয়, নিরাপত্তার খাতিরে তা প্রকাশ করেনি স্থানীয় গণমাধ্যম৷

মরক্কো ওয়ার্ল্ডনিউজ ডটকম জানিয়েছে, নামাজে অংশ নেওয়া সব নারীর মাথায় কাপড় ছিল না৷ নামাজের খুতবা দেওয়া হয় ফরাসি ভাষায়৷

ফরাসি অনলাইন পত্রিকা আরএফআই ডট এফআর জানিয়েছে দুই নারী ইমাম প্রায় এক দশক আগে ইসলাম গ্রহণ করেন৷ ২০১৮ সালে ভয়েস অব এনলাইটেনড ইসলাম নামের একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন তারা৷ তাদের মূল লক্ষ্য এমন একটি পরিবেশ প্রস্তুত করা, যেখানে মুসলিম নারী-পুরুষ এসে নামাজ পড়তে পারেন, ধর্মীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন৷

লা পেরিসিয়ানকে জানাদিন জানিয়েছেন, ‘‘আমরা ফরাসি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চাই৷ আধুনিকতার অনেক কিছুই এর মধ্যে থাকবে৷''

আন্ত-সংস্কৃতি মেলবন্ধনের লক্ষ্যে সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকালোস সারকোজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মুসলিম কালচারাল কাউন্সিল ইন ফ্রান্স-সিএফসিএম৷ তবে সংস্থাটির মুখপাত্র আবদাল্লাহ জেকরি নারীদের ইমাম হওয়ার বিরোধীতা করেছেন৷ তার মতে, ‘‘ধর্মের মতো কয়েক শত বছরের ঐতিহ্য চাইলেই একদিনে বদলে ফেলা যায় না৷''

অবশ্য এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হলেও, দুই নারী ইমামের আশা শিগগিরই তারা একটি স্থায়ী জায়গা পাবেন৷ সেই জায়গায় নারীরা ইমামতি করতে পারবেন এবং নারী-পুরুষ একসঙ্গে নির্দ্বিধায় নামাজ পড়তে পারবেন৷

এডিকে/ (এএফপি, মরক্কোওয়ার্ল্ডনিউজ ডটকম, আরএফআই ডট আফআর, লা পেরিসিয়ান)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন