নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ | বিশ্ব | DW | 18.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ)-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি দেশের একটি৷

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক সুযোগ ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন- মূলতঃ এ চারটি বিষয় নিয়ে ১৪৯টি দেশের ওপর গবেষণা করে বার্ষিক এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে জেনিভাভিত্তিক সংস্থাটি৷ সেখানেই দেখা গেছে নারী-পুরুষ বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সবক'টি দেশ তো বটেই, পেছনে ফেলেছে এশিয়া, আফ্রিকা ও অ্যামেরিকা মহাদেশের অনেক দেশকে৷ এমনকি বিশ্বের সেরা ২০টি ধনী দেশেরও কারো কারো থেকে সূচকে এগিয়ে বাংলাদেশ৷

ডাব্লিউইএফ-এর হিসেবেনারীর সার্বিক ক্ষমতায়নে৪৮তম অবস্থানে বাংলাদেশ৷ বাংলাদেশের এ অবস্থানের কারণ, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন৷ এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান পাঁচ৷ প্রথম চারটি দেশ হলো আইসল্যান্ড, নিকারাগুয়া, নরওয়ে ও রুয়ান্ডা৷

তবে অর্থনৈতিক সুযোগ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধার আওতার সূচকে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ৷ নারীদের অর্থনৈতিক সুযোগের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩, শিক্ষায় ১১৬ ও স্বাস্থ্যে ১১৭৷ তবে সার্বিকভাবে ৪৮তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র (৫১তম) থেকেও৷ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পাকিস্তান ১৪৮, ভুটান ১২২, ভারত ১০৮, নেপাল ১০৫ ও শ্রীলঙ্কা ১০০তম অবস্থানে রয়েছে৷

ব্যবধান ঘুচবে না দু'শ বছরেও

ডাব্লিউইএফ দেখতে পেয়েছে যে, বেশকিছু বিষয়ে বৈশ্বিক লিঙ্গ বৈষম্য আগামী ১০৮ বছরে দূর হবে না৷ আর কর্মক্ষেত্রে বেতন ও অন্যান্য সুবিধার বিষয়ে এই বৈষম্য কমতে আরো ২০২ বছর লাগবে৷ তারা বলছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বিগত বছরগুলোতে অগ্রগতি হয়েছে৷ তবে সম্প্রতি আবারো নারীরা খেই হারিয়েছেন তিনটি খাতেই৷

ডাব্লিউইএফ-এর হিসেবে বৈশ্বিক গড় হিসেব করলে অর্থনৈতিক সুবিধাপ্রাপ্তিতে বৈষম্য প্রায় ৫১ ভাগ দূর হয়েছে এবং নারী নেতৃত্ব বেড়েছে ৩৪ ভাগ৷ তবে একইসঙ্গে নারীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ কমেছে৷ কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, অটোমেশনের কারণে নারীর কাজের সুযোগে আঘাত পড়েছে বেশি৷ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গাণিতিক দক্ষতায় নারীরা পিছিয়ে আছে বলে মনে করে ডাব্লিউইএফ৷ তারা বলছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স খাতের চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ২২ ভাগ৷

গবেষণায় দেখা গেছে, আগামী ৬১ বছরে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো সার্বিক নারী বৈষম্য কমাতে পারবে৷ তবে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা ১৫৩ বছর সময় নেবে৷ নর্ডিক দেশগুলো বৈষম্য দূরীকরণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে৷ আইসল্যান্সে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ প্রায় সমান৷ এরপর আছে নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড৷ তবে অন্যদিকে, সিরিয়া, ইরাক, পাকিস্তান ও ইয়েমেনে বৈষম্য সবচেয়ে বেশি৷

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ২০টি দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স ১২তম, জার্মানি ১৪তম, ব্রিটেন ১৫তম, ক্যানাডা ১৬তম এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯তম স্থানে রয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি ঘটছে৷ গেল বছরের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে তারা এখন ৫১তম স্থানে৷

যুবায়ের আহমেদ (ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন