নারীর ক্ষমতায়ন, নাকি পুরুষের প্রতি বৈষম্য? | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 06.10.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

নারীর ক্ষমতায়ন, নাকি পুরুষের প্রতি বৈষম্য?

নারীর ক্ষমতায়নের জন্য করা আইনগুলো পুরুষের জন্য বৈষম্যমূলক! এমনটাই মনে করছে ভারতের অনেক সংগঠন৷ তবে তা মানতে রাজি নন অন্যরা৷

ভারতের জাতীয় অপরাধ রেকর্ড কার্যালয়ের হিসেবে গত বছর বিবাহিত নারীর প্রায় দ্বিগুন সংখ্যক বিবাহিত পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন৷ আর ৪৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা প্রায় তিনগুন৷

এর কারণ – নারীর ক্ষমতায়নে করা প্রায় ১৫টি আইনের অপব্যবহার৷ ফলে মেয়েরা সহজেই পুরুষদের বিরুদ্ধে যৌতুক চাওয়া, গৃহ নির্যাতন আর যৌন অপরাধের অভিযোগ আনছেন৷ পরিণতিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কোনো জামিন ছাড়াই অভিযুক্তদের জেলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে৷ এতে করে সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হয়ে অনেকে আত্মহত্যা করছেন৷

‘মেনস রাইট অ্যাসোসিয়েশন'-এর প্রেসিডেন্ট অতিত রাজপারা বলছেন, প্রতিদিন তাঁরা গড়ে ১৫-২০ জন ক্ষুব্ধ স্বামী ও অবিবাহিত পুরুষের টেলিফোন পান৷ তিনি বলেন, অবস্থা এমন যে, বিশ্বের কেউ পুরুষদের দুঃখের কথা শুনতে চান না৷ তাঁরা শুধু নারীর সমস্যার কথাকে গুরুত্ব দেন৷ রাজপারা নিজেও ঐ ধরণের আইনের অপব্যবহারের ভুক্তভোগী৷ তাই তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে অসহায় মনে হয়৷ রাজপারা বলেন, তিনি নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে৷ তবে তাই বলে পুরুষের অসুবিধাগুলো দেখা হবে না, তা ঠিক নয়৷

‘নিখিল ভারত শাশুড়ি রক্ষা ফোরাম'-এর আহবায়ক নিনা ধুলিয়া জানান, তিনি নিজে ও তাঁর স্বামী-সন্তান এ ধরণের আইনের অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন৷ তাদের পুত্রবধূ তাদের বিরুদ্ধে যৌতুক চাওয়া ও নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এনেছিল৷

এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে অনেক সংগঠন এখন লিঙ্গ নিরপেক্ষ আইন তৈরির দাবি তুলছে৷

তবে ‘সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চ'-এর পরিচালক রঞ্জনা কুমারী বলেন, যাঁরা পুরুষের অধিকারের কথা বলেন, তাঁরা নারীর উপর করা নির্যাতনের কথা ভুলে গেছেন৷ তাঁরা ভুলে গেছেন যে, প্রতিবছর প্রায় আট হাজার নারী যৌতুকের কারণে মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন৷

তবে আইনের যে ভুল ব্যবহার হচ্ছে তাও স্বীকার করেন রঞ্জনা কুমারী৷ তাই যাঁরা মিথ্যা মামলার শিকার তাঁদের প্রতি যৌতুক দেয়া বা নেয়ার বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি৷

প্রতিবেদন: তনুশ্রী শর্মা সান্ধু/জেডএইচ

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন