নারীর ক্ষমতায়নের পথে আরো এগিয়ে গেল সৌদি আরব | বিশ্ব | DW | 27.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সৌদি আরব

নারীর ক্ষমতায়নের পথে আরো এগিয়ে গেল সৌদি আরব

সোমবার রাতে জারি করা বেশ কয়েকটি রাজকীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে সৌদি আরবের সামরিক বাহিনী ও প্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে৷ এর আওতায় এবার এক নারীকে উপমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে৷

তামাদার বিনতে ইউসেফ আল-রামাহকে শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷ রক্ষণশীল দেশটিতে সরকারের এমন উঁচু পদে একজন  নারীর নিয়োগ বিরল ঘটনা৷ তবে এই সিদ্ধান্তকে দেশটিতে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে৷ চলতি বছরেই সেখানে নারীদের গাড়ি চালানো শুরু করার কথা রয়েছে৷

সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা ‘সৌদি প্রেস এজেন্সি' বা এসপিএ রাজকীয় অধ্যাদেশগুলো প্রকাশ করেছে৷ এতে দেখা যাচ্ছে, দেশটির সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে৷ সেখানে জেনারেল আব্দুল রহমান বিন সালেহ আল-বুনিয়ানের জায়গায় জেনারেল ফায়াদ বিন হামিদ আল-রাওয়াইলিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷ জেনারেল আল-রাওয়াইলি একসময় রয়েল সৌদি এয়ারফোর্সের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন৷ আর সাবেক চিফ অফ স্টাফ জেনারেল আল-বুনিয়ানকে রয়েল কোর্টের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে৷

এছাড়া প্রশাসনের তরুণ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেমন উপমন্ত্রী, রাজ্যের ডেপুটি গভর্নর, রয়েল কোর্টের উপদেষ্টা, ইত্যাদি পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷

৩৯টি রাজকীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে এসব রদবদলের খবর দেয়া হলেও সেখানে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি৷

উল্লেখ্য, মোহাম্মেদ বিন সালমান ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর সৌদি আরবে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন৷ তিনি নিজে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন৷ ইয়েমেনে সৌদি জোটের নেতৃত্বে যে অভিযান চলছে তার রূপকার হচ্ছেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান৷

তবে সেই অভিযানের সঙ্গে সামরিক বাহিনীতে পরিবর্তন আনার বিষয়টি মিলিয়ে দেখা উচিত হবে না বলে মনে করছেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশ্লেষক বেকা ওয়াসার৷ তিনি ওয়াশিংটনভিত্তিক ব়্যান্ড কর্পোরেশনে কাজ করেন৷ ওয়াসার মনে করছেন, সামরিক বাহিনীতে সংস্কার আনা এবং নতুন পরিকল্পনার কথা শোনা ও বাস্তবায়নে আগ্রহী নেতৃত্ব আনার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে৷

আরেক বিশ্লেষক রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ ফেলো ক্রিস্টিয়ান কোটস উলরিশসেন বলছেন, ক্রাউন প্রিন্স সালমান দেশের নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মকে আনতে চাইছেন৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন