নারদ মামলা রাজ্যের বাইরে নিতে চায় সিবিআই | বিশ্ব | DW | 19.05.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পশ্চিমবঙ্গ

নারদ মামলা রাজ্যের বাইরে নিতে চায় সিবিআই

কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলার শুনানি। শুভেন্দু সহ চার সাংসদকে হেফাজতে নিতে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দাবি সিবিআইয়ের।

বুধবার নারদ মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে। পশ্চিমবঙ্গের দুই মন্ত্রী, এক বিধায়ক এবং এক নেতার জামিন হয় কি না, সে দিকে তাকিয়ে রাজ্য। তারই মধ্যে সিবিআই সূত্রে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। এক, নারদ মামলায় জড়িত চার সাংসদকেও হেফাজতে পেতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থাটি। সেই মোতাবেক লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, মামলায় নাম ঢোকানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের।

সিবিআই সূত্র ডিডাব্লিউকে জানিয়েছে, লোকসভার স্পিকারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে রাজ্যের চার সাংসদকে হেফাজতে নিতে চাওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। যার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীও আছেন। নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রভাবশালী নেতা শুভেন্দু। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটে লড়েছেন তিনি। জিতেওছেন। বিজেপি বিধানসভায় শুভেন্দুকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেছে। কিন্তু এখনো সাংসদ পদ ছাড়েননি শুভেন্দু। দেশের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সাংসদকে গ্রেপ্তার করতে হলে লোকসভার স্পিকারের অনুমতি নিতে হয়। রাজ্যে অনুমতি নিতে হয় বিধানসভার স্পিকারের। তবে রাজ্যপাল অনুমতি দিলে গ্রেফতার করা যায়। পশ্চিমবঙ্গের বিধায়কদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে রাজ্যপাল অনুমতি দিয়েছিলেন।

সিবিআই জানিয়েছিল, বিধানসভার স্পিকার তাদের চিঠির উত্তর দিচ্ছিলেন না। লোকসভাতেও একই ভাবে স্পিকারের কাছে অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সিবিআই সূত্র দাবি করেছে। অনুমতি পেলে কি শুভেন্দুকে গ্রেপ্তার করা হবে? রাজ্য রাজনীতিতে এটাই এখন সব চেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ, অনেকেরই ধারণা, কেন্দ্রীয় সরকার বিজেপি নেতা শুভেন্দুকে শেল্টার দেওয়ার চেষ্টা করবে।

অন্যদিকে, বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টে গ্রেফতার হওয়া চার নেতার জামিনের শুনানি। কিন্তু সিবিআই মামলাটি রাজ্যের বাইরে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করেছে। তাদের বক্তব্য, যে ভাবে নিজাম প্যালেসে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন, ব্যাঙ্কশাল কোর্টে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক উপস্থিত হয়েছেন, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, তারা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। সে কারণেই তারা মামলাটি রাজ্যের বাইরে নিয়ে যেতে চায়। একই সঙ্গে মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটকের নাম জড়ানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে আটক বিধায়ক মদন মিত্রের প্রতিক্রিয়া, 'গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।' অন্য দিকে ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে শুনানি শুরুর আগে তৃণমূলকর্মীদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, নারদ মামলা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত যে আরো বাড়বে, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গেছে।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, আনন্দবাজার)