নাছির, দুলু, টুকুর প্রার্থিতা বাতিল, ফিরে পেলেন ৮০ জন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 06.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

নাছির, দুলু, টুকুর প্রার্থিতা বাতিল, ফিরে পেলেন ৮০ জন

মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানির প্রথমদিনে ১০০ জনের প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি হয়েছে৷ এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৮০ জন৷

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের দশম তলায় স্থাপিত এজলাসে এ আপিল শুনানি হয়৷

নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে চট্টগ্রাম-৫ আসনের বিএনপি'র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছিরের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় তিনি হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেছেন৷ নাটোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন নির্বাচন কমিশন৷ সেই সঙ্গে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মনোনয়নও বাতিল হয়েছে৷

শুনানি শুরু হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের নবাব মো. শামছুল হুদার আপিলের মধ্য দিয়ে৷ এ দফায় আপিলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন৷ এরপর ছিল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বগুড়া-৭ আসনে দলের মনোনীত বিকল্প প্রার্থী মোরশেদ মিলটনের আপিলের শুনানি৷ শুনানি শেষে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়৷ এ সময় ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক ও ঢাকা-২০ আসনের তমিজ উদ্দিনও প্রার্থিতা ফিরে পান৷ তাঁরা দু'জনই বিএনপির প্রার্থী৷ যাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে পটুয়াখালী-৩ আসনে সদ্য আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেয়া গোলাম মাওলা রনিও আছেন৷

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান রঞ্জন ও পটুয়াখালী-৩ আসনে মো. গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে৷ ঝিনাইদহ-২ আসনে মো. আবদুল মজিদ প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন৷

মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে জামালপুর-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের৷ পটুয়াখালী-৩ আসনে মোহাম্মদ শাহজাহান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন৷ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ের পর যে ছয়টি আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী ছিল না সেখানে আপিলের মাধ্যমে চারটি আসনেই লড়াই করার সুযোগ পেলো দলটি৷ ঢাকা-১ আসনে আবু আশফাক, বগুড়া-৭-এ মোর্শেদ মিল্টন, , মানিকগঞ্জ-২ এবং জামালপুর-৪-এ ফরিদুল কবীর তালুকদারের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গিয়েছিল৷ সেগুলোতে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এখন বাকি রয়েছে রংপুর-৫ এবং শরীয়তপুর-১ আসন৷

মাদারীপুর-১ আসনের জহিরুল ইসলাম মিন্টু এবং সিলেট-৩ আসনের আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীও আপিল করে সফল হয়েছেন৷ প্রার্থিতা ফেরত পাওয়া ৫৩ জনের বেশিরভাগই বিএনপি প্রার্থী৷

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর৷ গত ২৯ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন৷ এরপর গত রোববার মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়৷ এদিন নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য জমা দেওয়া ৩ হাজার ৬৫ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৭৮৬টি বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা, যাঁদের মধ্যে বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের শক্তিধর প্রার্থীও রয়েছেন৷

গত সোমবার থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত আপিল গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন৷ তিন দিনে মোট ৫৪৩ জন আপিল করেছেন৷ প্রথম দিনে ৮৪, দ্বিতীয় দিনে ২৩৭ ও তৃতীয় দিনে ২২২টি আবেদন জমা পড়ে নির্বাচন কমিশনে৷ আজ ১ থেকে ১৬০ পর্যন্ত ক্রমিক নম্বরের আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা৷ কাল শুক্রবার ১৬১ থেকে ৩১০ পর্যন্ত এবং আগামী শনিবার ৩১১ ক্রমিক নম্বর থেকে ৫৪৩ পর্যন্ত আবেদনের আপিল শুনানি গ্রহণ করবে কমিশন৷

এপিবি/এসিবি (সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, প্রথম আলো)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন