নাগরিকদের ইথিওপিয়া ছাড়ার নির্দেশ পশ্চিমা দেশগুলির | বিশ্ব | DW | 24.11.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইথিওপিয়া

নাগরিকদের ইথিওপিয়া ছাড়ার নির্দেশ পশ্চিমা দেশগুলির

ইথিওপিয়া থেকে অবিলম্বে নাগরিকদের চলে আসতে বললো অ্যামেরিকা, জার্মানি ও ফ্রান্স। কর্মী কমাচ্ছে জাতিসংঘও।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি লড়াইয়ের ময়দানে গিয়ে সেনাকে নেতৃত্ব দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি লড়াইয়ের ময়দানে গিয়ে সেনাকে নেতৃত্ব দেবেন।

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যাবি আহমেদ সোমবার বলেছেন, টিগ্রে পিপলস লিবারেশন ফোর্স(টিপিএলএফ)-এর বিরুদ্ধে তিনি লড়াইয়ের ময়দানে গিয়ে নেতৃত্ব দেবেন। তারপরই মঙ্গলবার জার্মানি তাদের সব নাগরিককে অবিলম্বে ইথিওপিয়া ছাড়তে বলেছে। একই নির্দেশ জারি করেছে ফ্রান্স এবং অ্যামেরিকাও।

টিপিএলএফের দাবি, তাদের বাহিনী এখন রাজধানীর কাছাকাছি এসে গেছে। এরপরই বিভিন্ন দেশ আদ্দিস আবাবা থেকে তাদের নাগরিকদের দ্রুত চলে আসার নির্দেশ দিচ্ছে।

জার্মানি ও জাতিসংঘ কী বলছে

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আদ্দিস আবাবায় যে জার্মান নাগরিকরা আছেন, তারা যেন অবিলম্বে ইথিওপিয়ার বাইরে চলে যান।

ফ্রান্স ও অ্যামেরিকাও অবিলম্বে তাদের নাগরিকদের ইথিওপিয়া ছাড়তে বলেছে।

জাতিসংঘও ইথিওপিয়ায় তাদের যে বিদেশি কর্মীরা কাজ করেন তাদের পরিবারের মানুষদের দ্রুত বাইরে নিয়ে আসছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইথিওপিয়ার যা পরিস্থিতি তাতে খুবই সতর্ক হয়ে চলা দরকার। তাই জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ইথিওপিয়ায় কর্মী কমিয়ে দেয়া হবে। আর কর্মীদের উপর যারা নির্ভরশীল তাদেরও সাময়িকভাবে ইথিওপিয়ার বাইরে নিয়ে আসা হবে। 

ইথিওপিয়ার অবস্থা

প্রধানমন্ত্রী অ্যাবি আহমেদ বলেছেন, তিনি লড়াইয়ের ময়দানে যাবেন এবং সেখানে সেনার নেতৃত্ব দেবেন। ২০১৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে এটা অস্তিত্বরক্ষার লড়াই। তিনি বলেছেন, ''ইথিওপিয়াকে বাঁচানোর জন্য আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছি।''

টিপিএলএফের দাবি, তারা আদ্দিস আবাবা থেকে মাত্র ২২০ কিলোমিটার দূরে আছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কূটনীতিকদের কাছে সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, সেনাবাহিনী শহরকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আদ্দিস আবাবার পিস ও সিকিউরিটি ব্যুরোর প্রধান বলেছেন, বিদেশি কূটনীতিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। পশ্চিমা মিডিয়া যে ছবিটা তুলে ধরছে, তার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই।

অ্যাবি আহমেদ টিগ্রে থেকে টিপিএলএফকে ক্ষমতাচ্যূত করতে সেনা অভিযানের নির্দেশ দেন। তারপর শুরু হয় দুই পক্ষের লড়াই। ২০২০ সালের নভেম্বরের পর থেকে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছেন। ২০ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। জাতিসংঘের রিপোর্ট হলো, লাখ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখে।

শান্তি ফিরবে কীভাবে

জাতিসংঘের দূত জেফরি ফেল্টম্যান জানিয়েছেন, তিনি মনে করেন, কূটনৈতিক প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে লড়াই শেষ হতে পারে। তবে তিনি এটাও বলেছেন, বাস্তব পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ইথিওপিয়ার সেনা ও টিপিএলএফ বাহিনী তাদের তৎপরতা বাড়াতে পারে। সেটা হলে শান্তিপ্রক্রিয়া ধাক্কা খেতে বাধ্য।

জিএইচ/এসজি(এপি, এএফফি, রয়টার্স)