নতুন বছরে জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, আশা তুরস্কের | বিশ্ব | DW | 01.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

তুরস্ক-জার্মানি

নতুন বছরে জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, আশা তুরস্কের

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু আশা করছেন, নতুন বছরে জার্মানির সঙ্গে তাঁর দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে৷ দু'পক্ষই তা করতে প্রস্তুত বলে মনে করেন তিনি৷

জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএ-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার মনে হয় উভয় পক্ষই সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রস্তুত৷ সুতরাং ২০১৮ সালে আরও ভালো হবে বলে আমি আশা করছি৷'' যদিও তিনি দু'দেশের সম্পর্কে কোনো সংকট দেখছেন না৷ ‘‘জার্মানির সঙ্গে তুরস্কের কোনো সমস্যা নেই৷ তবে জার্মানির তুরস্কের সঙ্গে সমস্যা আছে এবং তুরস্কের প্রতি অভিযোগ আনার কোনো সুযোগ ছাড়তে চায় না জার্মানি,'' বলেন চাভুসোগলু৷ তিনি চান জার্মানি তুরস্ককে সমান অংশীদার হিসেবে দেখুক৷

উল্লেখ্য, বর্তমানে তুরস্কের কারাগারে জার্মানির প্রায় এক ডজন নাগরিক বন্দি আছেন৷ বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্ককে অবনতির দিকে নিয়ে গেছে৷ আটকদের মধ্যে একজন তুর্কি-জার্মান সাংবাদিক ডেনিজ ইউচেল৷ তিনি জার্মানির ‘ডি ভেল্ট' পত্রিকার সাংবাদিক৷ গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে আটক করা হয়৷ তবে এখন পর্যন্ত ইউচেলের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ দায়ের করা হয়নি৷

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, ইউচেলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিতে সরকারের পক্ষে থেকে সে দেশের বিচারব্যবস্থাকে ইতিমধ্যেই উৎসাহ দেয়া হয়েছে৷ ‘‘এখনও অভিযোগ দায়ের না হওয়া নিয়ে আমিও সন্তুষ্ট নই৷ তবে আমরা কেবল বিচারব্যবস্থাকে প্রক্রিয়াটি দ্রুততর করার অনুরোধ করতে পারি৷ ইতিমধ্যে আমরা তা করেছি,'' ডিপিএকে বলেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী৷

এদিকে, তুরস্ক চায় জার্মানিতে থাকা সশস্ত্র ‘কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি' বা পিকেকে-র সদস্য ও ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িতদের জার্মানি ফেরত পাঠাক৷ ২০১৬ সালের জুলাইতে ঐ অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার জনকে আটক করেছে তুরস্ক৷

গতবছর তুরস্কে অনুষ্ঠিত গণভোটের আগে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান ও অন্যান্য মন্ত্রীদের জার্মানিতে সমাবেশ করতে বাধা দেয়া হয়েছিল৷ সেই সময় চাভুসোগলু ঘটনাটিকে নাৎসি আমলের মতো আচরণ বলে জার্মানির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন৷ ডিপিএ-র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেই সময়কার মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখিত নন৷ ‘‘ঐ সময় যা ঘটেছিল তা আমাদের নাৎসি আমলের ঘটনা মনে করিয়ে দিয়েছিল৷ সম্ভবত নাৎসি আমলেও ওরকম কিছু ঘটেনি৷ আমার মনে হয় না, নাৎসিরা কোনো সফর বা বৈঠকে বাধা দিয়েছিল৷'' 

লুইসা রাইট/জেডএইচ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়