1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
আঙ্গেলা ম্যার্কেল
বুধবার ফেডারেল ও রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন ম্যার্কেলছবি: Markus Schreiber/AP/picture alliance

নতুন বছরে জার্মানিতে আরও কড়া লকডাউন?

৩ ডিসেম্বর ২০২০

আসন্ন বড়দিন ও নববর্ষ উৎসবের সময় জার্মানিতে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার আশঙ্কা করছেন নেতারা৷ ১০ই জানুয়ারির পর তাই আরও কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে৷ করোনায় মৃত্যুর হার রেকর্ড ছুঁয়েছে৷

https://p.dw.com/p/3m9rc

জার্মানির চলমান আংশিক লকডাউন আসন্ন বড়দিন ও নববর্ষ উৎসবের সময় কিছুটা শিথিল করা হলেও কড়াকড়ির মেয়াদ নতুন বছর পর্যন্ত বাড়ানো হলো৷ বুধবার ফেডারেল ও রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতাদের আলোচনার পর বর্তমান বিধিনিয়ম কমপক্ষে ১০ই জানুয়ারি পর্যন্ত চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ এই সময়কালে করোনা মহামারির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরও কড়া সিদ্ধান্তেরও পূর্বাভাষ দিয়েছেন নেতারা৷

গত ২রা নভেম্বর থেকে জার্মানিতে যে ‘লকডাউন লাইট’ শুরু হয়েছে, তার ফলে দৈনিক সংক্রমণের হার আর না বাড়লেও ধারাবাহিকভাবে কমারও কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না৷ সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী দিনে ২২,০০০-এরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন৷ ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত দেশের কিছু অংশে স্থানীয় পর্যায় আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে৷ বার্লিনের মতো বড় শহরের হাসপাতালের আইসিইউ প্রায় ভরে গেছে৷ রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা ভাইরাসের কারণে ৪৮৭ জন মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে, জার্মানির জন্য যা এক রেকর্ড৷

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পূর্বশর্ত হিসেবে এক লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন৷ টানা সাত দিন ধরে দৈনিক সংক্রমণের হার প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে পঞ্চাশের কাছাকাছি নেমে এলে তবেই কড়াকড়ি শিথিল করতে চান তাঁরা৷ বর্তমানে সেই গড় হার প্রায় ১৩৫৷ আগামী ৪ঠা জানুয়ারি ম্যার্কেল ও মুখ্যমন্ত্রীরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চান৷

আসন্ন বড়দিন ও নববর্ষ উৎসবের সময়ে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ৷ সে সময়ে অসংখ্য মানুষ বিশাল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন৷ সর্বোচ্চ দশ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সমাবেশের অনুমতির ফলে করোনা সংক্রমণের হার আরও বাড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ বাভেরিয়ার মুখ্যমন্ত্রী মার্কুস স্যোডার বলেছেন, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে লকডাউনের বিধিনিয়ম আরও কড়া করতে হবে৷ তাঁর মতে, এখনো এমন সময় আসে নি৷ অন্য এক মুখ্যমন্ত্রী স্কুল, কিন্ডারগার্টেন বন্ধ রাখা ও দোকানবাজারের সম. কমিয়ে দেবার মতো পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন৷

চ্যান্সেলর ম্যার্কেল বুধবারের আলোচনায় করোনার টিকা কর্মসূচি সম্পর্কে সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন৷ তাঁর মতে, সবকিছু ঠিকমতো চললে ডিসেম্বর মাসের শেষেই জনসাধারণকে টিকা দেবার কাজ শুরু হবে৷

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো প্রথম টিকার জরুরি অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় নি৷ তবে চলতি মাসেই সেই অনুমোদনের আশা করা হচ্ছে৷ জার্মানি টিকা বিতরণের অবকাঠামো প্রস্তুত রাখার কাজ করছে৷

ম্যার্কেল ও মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে ঐকমত্যের অভাবের কারণে জার্মানি আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারছে না৷ ম্যার্কেল ও স্যোডারের মতো নেতারা শুরু থেকেই আরও কড়া বিধিনিয়মের পক্ষে সওয়াল করলেও কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির কারণে সেটা সম্ভব হয় নি৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, রয়টার্স)

স্কিপ নেক্সট সেকশন সম্পর্কিত বিষয়
স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন

অস্ট্রেলিয়ায় গোপনে পাঁচ মন্ত্রী

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান