নতুন দিল্লিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 27.03.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

নতুন দিল্লিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব শেষ হলো রবিবার৷ এই সিরিজের এটি তৃতীয় চলচ্চিত্র উৎসব৷ প্রথমটি হয়েছিল গত বছর কলকাতায়, আর দ্বিতীয়টি এ বছর আগরতলায়৷

Guerrilla’’ is a Bangladeshi film based on the events of the Bangladesh Liberation War; director of the film: Nasiruddin Yousuf Bachchu***Das Bild darf nur im Rahmen einer Filmbesprechung benutzt werden

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছবি ‘গেরিলা’র একটি দৃশ্য

ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে দেখানো হয় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ৬টি ছবি৷ যার উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব ও বংলাদেশের হাইকমিশনার৷

শুরু হয় তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না' ছবি দিয়ে৷ ৬০-এর দশকের শেষের দিকে মুক্তিযুদ্ধের উথালপাথাল রক্তঝরা সেইসব দিনের আর্তনাদ৷ পাকিস্তানের খানসেনাদের নারকীয় অত্যাচারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে প্রদর্শিত ৬টি ছবিতে৷ ‘মাটির ময়না' ছাড়া অন্য ছবিগুলি হলো ‘খেলাঘর', ‘জয়যাত্রা', ‘খণ্ড গল্প', ‘আমার বন্ধু রাশেদ' এবং ‘গেরিলা'৷

উৎসবে এসেছিলেন প্রখ্যাত পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম, যাঁর দুটি ছবি ‘খেলাঘর' ও ‘আমার বন্ধু রাশেদ' দেখানো হয় এই ফিল্মোৎসবে৷ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কে ডয়চে ভেলের সঙ্গে আলাপচারিতায় উনি বললেন, ‘‘বাংলাদেশে মেন স্ট্রিম সিনেমার অবস্থাটা খারাপ৷ ভালো ছবি হচ্ছেনা৷ দর্শক সিনেমা হলে যাচ্ছে না৷ সিনেমা হলগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷ হলগুলির আধুনিকায়ন হচ্ছে না৷ ফিল্ম ল্যাবের টেকনিক্যাল কোয়ালিটি বেশ খারাপ৷ বাইরের সিনেমার টেকনিক্যাল মানের সঙ্গে আমাদের কমার্শিয়াল ফিল্ম পাল্লা দিতে পারছেনা৷''

Meherjaan Writer/Director: Rubaiyat Hossain 119 mins | 2011 | Bangladesh

‘মেহেরজান’ ছবির একটি দৃশ্য

অবশ্য এর পাশাপাশি আরেকটি ধারারও আছে যেখানে অনেক ফিল্ম মেকার এগিয়ে আসছেন৷ তাঁরা শুধু তথাকথিত আর্ট ফিল্মই করছেন না, আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কমার্শিয়াল ছবিও করছেন যেটা খুবই ইতিবাচক৷ সেইসব ছবি জনপ্রিয় হচ্ছে৷ বর্তমান অবস্থা থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পের উত্তরণ ঘটাতে কিছু প্রস্তার দেয়া হয়েছে সরকারকে এবং সরকার গুরুত্ব দিয়ে তা বিবেচনা করছেন, জানান মোরশেদুল ইসলাম৷

দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় বাংলাদেশ সরকার হাত বাড়াতে পারে কিনা - সেই প্রসঙ্গে, ডেপুটি হাই কমিশনার মাহবুব হাসান সালেহ ডয়চে ভেলেকে বললেন, প্রযোজকদের তরফে প্রস্তাব এলে তবেই সরকার অনুদানের বিষয়ে বিবেচনা করতে পারেন৷

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল সময়ে কী ঘটেছিল, সেটা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এই চলচ্চিত্র উৎসবের মূল উদ্দেশ্য৷ সংবাদ মাধ্যমকে সালেহ বলেন, ‘‘তিন কোটি মানুষ নিহত, দু'লাখ নারী ধর্ষিতা পাক-সেনাদের হাতে৷ লক্ষ লক্ষ লোক ভিটেমাটি হারা৷''

ছবি দেখার পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এইসব ছবি এক ঐতিহাসিক ঘটনার মানবিক দলিল - যেটা ওদের কাছে অজানা ছিল৷ এই সব ছবির আবেদন বুকে গিয়ে বেঁধে৷ দর্শকদের আবদার বাংলাদেশ ফিল্মোৎসব ঘন ঘন কেন হয়না ?

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুন দিল্লি
সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন