নকশাল নেতা কানু সান্যাল আর নেই | বিশ্ব | DW | 23.03.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নকশাল নেতা কানু সান্যাল আর নেই

আত্মঘাতী হলেন নকশালবাড়ি আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা কানু সান্যাল৷ মঙ্গলবার শিলিগুড়ির কাছে সেপতুলাজোট গ্রামে নিজের বাড়িতে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন৷

default

আদর্শের সঙ্গে কখনো আপোশ করেন নি কানু সান্যাল

রোগযন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরেই তিনি এই পথ বেছে নিলেন বলে মনে করা হচ্ছে৷

যে নকশালবাড়িতে উগ্র বাম রাজনীতির এক নয়া অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন, সেই নকশালবাড়িতেই জীবন শেষ করলেন কানু সান্যাল৷ নকশাল আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা৷ চারু মজুমদারের পরেই উচ্চারিত হত যার নাম৷ নকশাল আন্দোলন শেষ হয়ে গেলেও কানু সান্যাল কখনও হার মানেননি৷ নকশালবাড়িতেই কৃষক-মজুরদের নিয়ে নতুন করে সংগঠনের কাজ করে গেছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত৷ তবে শেষদিকে রোগযন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছিলেন৷ ২০০৯ সালে বড় ধরণের হার্ট অ্যাটাক হয় তাঁর৷ তার পর থেকেই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল৷ এমনকি পুরনো পরিচিতদেরও মাঝে মধ্যে চিনতে পারতেন না৷ সংগঠনের কাজ করতে চাইতেন, কিন্তু শরীর বাদ সাধত৷ সম্ভবত সেই হতাশা থেকেই তিনি আত্মঘাতী হলেন বলে অনেকের অনুমান৷ কিন্তু এত অসুস্থতা সত্ত্বেও সরকারি অনুগ্রহে চিকিৎসার প্রস্তাবে রাজি হননি৷ কলকাতার এস এস কে এম হাসপাতালে নিখরচায় চিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়া সত্ত্বেও আসেননি৷ জানিয়েছেন নকশাল নেতা সন্তোষ রাণা৷ আর আরেক সহযোদ্ধা আজিজুল হকের মন্তব্যে যেন ছিল অনুতাপের সুর৷

সিপিআই, সিপিএম-সহ সব বাম দল এদিন কানু সান্যালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন৷ সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, আজকের মাওবাদী আন্দোলনকে কখনও সমর্থন করেননি কানুবাবু৷ বিশেষত নন্দীগ্রাম-লালগড়ের পর স্পষ্ট ভাষায় নিজের অসমর্থন জানিয়েছিলেন৷

৭৮ বছরের কানু সান্যাল অকৃতদার ছিলেন৷ এবং কার্যত ছিলেন কপর্দকহীন৷ তাঁর এক চালার খোড়ো বাড়ির ঘরে কানু সান্যাল রেখে গেলেন বামপন্থী পত্র-পত্রিকা, বই এবং মার্ক্স, লেনিন, মাও সে তুং-এর কিছু ধূসর হয়ে যাওয়া ছবি৷

প্রতিবেদন: শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়, সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন