ধূমপানের হার হ্রাসে পুরুষের ভূমিকাও বাড়ছে | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ধূমপানের হার হ্রাসে পুরুষের ভূমিকাও বাড়ছে

গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে তামাকের ব্যবহার যতটুকু হ্রাস পেয়েছে, তাতে মূল ভূমিকা ছিল নারীদের৷ এবারই প্রথম পুরুষদের মধ্যে ধূমপান উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)৷

গত বৃহস্পতিবার ডাব্লিউএইচও এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে৷ সেখানে বলা হয়, সরকারের ধূমপানবিরোধী প্রচারের কারণেই এই সফলতা এসেছে৷

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থাটির মহাপরিচালক ট্রেডস আডিনম গ্যাব্রিয়াসিস বলেন, ‘‘অনেক বছর ধরেই আমরা পুরুষদের মধ্যে প্রাণহানিকর তামাক পণ্যের ব্যবহার শুধু বাড়তেই দেখেছি৷ এই প্রথম পুরুষদের মধ্যে এই হার কমতে দেখা যাচ্ছে৷ তামাক শিল্পের উপর সরকারের কড়া ব্যবস্থার কারণেই এই সাফল্য এসেছে৷’’

বিশ্বজুড়ে সরকারের 'জীবন রক্ষা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক প্রতিরোধ' ব্যবস্থা যে কাজ করতে শুরু করেছে, এই সাফল্য তার প্রমাণ৷ এ সাফল্য ধরে রাখতে ডাব্লিউএইচও সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে বলেও ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়৷

প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে তামাক পণ্য ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৬০ কোটি কমেছে৷ নিশ্চিতভাবেই এটা বড় সাফল্য৷ ২০২০ সাল নাগাদ ধূমপায়ীর সংখ্যা আরো এক কোটি কমে যাবে বলে আশা ডাব্লিউএইচও'র৷ আর ২০২৭ সাল নাগাদ আরো প্রায় দুই কোটি ২৭ লাখ বিয়োগ হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷

ধূমপানের কারণে শুধু মুখে ও ফুসফুসে ক্যানসার বা শ্বাসকষ্ট হয়, এমন নয়৷ বরং ধূমপান হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও অনেক বাড়িয়ে দেয়৷ ধূমপানের কারণে গত কয়েক দশকে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷

এসএনএল/এসিবি (রয়র্টাস, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন