দ্রুত অর্থনৈতিক প্যাকেজ কার্যকর করছে জার্মানি | বিশ্ব | DW | 25.03.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

দ্রুত অর্থনৈতিক প্যাকেজ কার্যকর করছে জার্মানি

করোনা সংকটের ফলে জার্মানির অর্থনীতি যাতে বিপর্যস্ত না হয়ে পড়ে, সেই লক্ষ্যে সরকারের পদক্ষেপ অনুমোদন করলো সংসদের দুই কক্ষ৷ জনজীবন কিছুটা স্বাভাবিক করে তুলতে চান জার্মান স্বাস্থ্যমন্ত্রী৷

জরুরি পরিস্থিতিতে সরকার, প্রশাসন ও সংসদ কত দ্রুত কাজ করতে পারে, করোনা সংকটের ফলে জার্মানিতে তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে৷ সংকটের মোকাবিলা করতে মন্ত্রিসভা প্রায় ১২,২৫০ কোটি ইউরো অঙ্কের অর্থনৈতিক প্যাকেজ স্থির করার পরই বুধবার সংসদের নিম্ন কক্ষ দলমতনির্বিশেষে সেই প্রস্তাব অনুমোদন করেছে৷ সংকটের মোকাবিলা করতে সরকারকে ১৫,৬০০ কোটি ইউরো অঙ্কের ঋণ নিতে হচ্ছে৷ এমনকি তার জন্য সংবিধানে ঋণের ঊর্দ্ধসীমা সংক্রান্ত একটি ধারায় পরিবর্তন করতে হয়েছে৷ এই প্যাকেজ সম্পর্কে কোনো আপত্তির কারণ না থাকায় সংসদের উচ্চ কক্ষ বুধবার সকালেই সম্মতি জানিয়ে দিয়েছিল৷ ফলে এই পদক্ষেপের সুফল দ্রুত অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

এদিকে করোনা সংকটের ফলে জার্মানির জনজীবন প্রায় স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকার এর দীর্ঘমেয়াদী পরিণাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে৷ জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান বুধবার জানিয়েছেন, ইস্টারের আগেই সরকার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে সমাধানসূত্র পেশ করবে৷ স্পান বলেন, মহামারি সত্ত্বেও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য৷ এ ক্ষেত্রে নাগরিকদের দায়িত্ববোধ ও সরকারের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এক ভারসাম্য আনতে হবে বলে মনে করেন জার্মান স্বাস্থ্যমন্ত্রী৷ কারণ, করোনা ভাইরাসের থাবা থেকে দ্রুত মুক্তির আশা দেখছেন না তিনি৷

জার্মানিতে এই মুহূর্তে প্রায় হাজারখানেক করোনা ভাইরাসের রোগী হাসপাতালে ইন্টেনসিভ কেয়ারে রয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে৷ ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা অবকাঠামো এখনো পরিস্থিতি সামলাতে পারছে৷ তবে গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণের হারের বিচারে জার্মানি পঞ্চম স্থানে থাকলেও সে কারণে মৃত্যুর হার কম৷ তিরিশ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত মাত্র ১৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীদের অবস্থা গুরুতর হচ্ছে না৷ তবে আগামী কয়েক সপ্তাহে কী হবে, সে বিষয়ে নিশ্চতভাবে পূর্বাভাষ দিতে পারছেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্পান৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন