দেশে মাংকিপক্স শনাক্ত হয়নি, খবরটি গুজব | বিশ্ব | DW | 25.05.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

দেশে মাংকিপক্স শনাক্ত হয়নি, খবরটি গুজব

বাংলাদেশে ভাইরাসজনিত রোগ মাংকিপক্সে আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হয়নি৷ এমন খবরকে ‘গুজব’ বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ৷

ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়, মঙ্গলবার শহীদ ডা. মিল্টন হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মাংকিপক্সের চিকিৎসায় সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে জানিয়ে গুজব বা আতঙ্ক এড়িয়ে চলার আহবান জানান তিনি৷

তিনি বলেন,  ‘‘গতকাল সোমবার বিকালের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাংকিপক্সের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়, যা ছিল নিছক একটি গুজব৷  শুধু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়, দেশেও এখন পর্যন্ত মাংকিপক্সের আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি৷’’

সাধারণত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়৷ সর্বপ্রথম বানরের দেহে শনাক্ত হওয়া এ রোগটি ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এর আগে আফ্রিকার বাইরে দেখা যায়নি৷

সম্প্রতি উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের  এক ডজনের বেশি দেশে ভাইরাসজনিত রোগ মাংকিপক্সের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে৷

এর প্রতিরোধে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নৌ ও স্থলবন্দরগুলোতে আক্রান্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের উপর সজাগ দৃষ্টি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করতে বলেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর৷

গুটিবসন্তের টিকা মাংকিপক্স থেকে ৮৫ শতাংশ সুরক্ষা দেয় জানিয়ে অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন,  ‘‘মাংকিপক্সের ৯০ শতাংশ রোগী ১৫ বছরের কম বয়সি শিশু৷ গুটিবসন্তের টিকা বন্ধ করা এর একটি কারণ হতে পারে৷’’

এর লক্ষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘জ্বরের সাথে ঠাণ্ডা লাগা, ঘাম, প্রচণ্ড মাথাব্যথা, পিঠে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, শ্বাসকষ্ট এবং কাশি হয়ে থাকে৷ জ্বরের পরে ২-৩ দিনের মধ্যে ঘাড়ের চারদিকে লিম্ফ্যাডেনোপ্যাথি (গ্রন্থি ফুলে যাওয়া) দেখা যায়৷

‘‘এক থেকে ১০ দিনের মধ্যে ফুসকুড়ি তৈরি হয়৷ ফুসকুড়ি প্রায়ই মুখে শুরু হয় এবং তারপর শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে৷ এটি দুই থেকে চার সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে৷ এগুলো মুখমণ্ডল, শরীর, হাত-পা এবং মাথার ত্বকে হয়ে থাকে৷

হাতের তালু এবং পায়ের পাতায় ক্ষত দেখা যেতে পারে৷ এগুলি ব্যথাহীন হয়৷  যদি ব্যথা থাকে, তাহলে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে চুলকানি থাকতে পারে৷’’

এ রোগ থেকে রক্ষা পেতে আক্রান্ত বা সন্দেহযুক্ত প্রাণির সংস্পর্শে যাওয়া বন্ধ রাখা, প্রাণির কামড়, আঁচড় এবং লালা বা প্রস্রাবের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি৷

রোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি করে ক্ষত শুকানো পর্যন্ত আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার পরামর্শ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)   

সংশ্লিষ্ট বিষয়