‘দেশে আইন থাকতে ছাত্রলীগ কেন?′ | পাঠক ভাবনা | DW | 03.07.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক মতামত

‘দেশে আইন থাকতে ছাত্রলীগ কেন?'

সরকারী চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা পিটুনির শিকার হয়েছেন৷ কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে পাঠকদের সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে  মিশ্র প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷

 ‘‘আন্দোলনের জন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করা উচিত ছিল৷  তাছাড়া আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা জনদুর্ভোগ কিছুতেই কাম্য নয় ''- এই মন্তব্য ডয়চে ভেলের পাঠক সাখাওয়াত বাবনের৷

 তবে অপূর্ব রাজ-এর ধারণা প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা না দিলে হয়তো ছাত্রলীগ এভাবে অত্যাচার করতে পারতো না৷ তিনি সকলকে একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চান যে, সারাজীবন কেউ ক্ষমতায় থাকে না৷

অন্যদিকে নজরুল ইসলামের ধারণা, ছাত্রলীগ নাকি ৭১-এর হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে৷ তাঁর প্রস্তাব, সকল ছাত্র-ছাত্রী মিলে সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  ছাত্রলীগকে বহিস্কার করে দিক৷

ছাত্রলীগই যদি মারামারি করে, তাহলে সরকার থাকার কী দরকার? এই প্রশ্ন আলমগীর খানের৷প্রায় একইরকম প্রশ্ন হান্নান মুন্সির,  ‘‘দেশে আইন থাকতে ছাত্রলীগ কেন?''

‘‘সরকারের বিরোধিতা নয়, তবে এটা একটা সার্বজনীন ব্যাপার৷ আন্দোলনকারী ছাত্ররা কোনো দলের নয়৷কোটা ব্যবস্থা সংস্কার সময়ের দাবি৷ মেধাবী বেকারদের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে-'' এই মতামত পাঠক নাদিমের৷

‘‘আমি সবার কাছে প্রশ্ন রাখি, ছাত্রলীগ কি, আর তাদের কাজ কী? আরও সহজ ভাষায়, একটা ছাত্র সংগঠনের প্রকৃত দায়িত্ব কী?'' আনোয়ার হালদার সকলের কাছে এই প্রশ্নই রেখেছেন৷

‘‘অবশ্যই, যোক্তিক এবং ন্যায্য দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে আমরা মাঠে নামতেই পারি৷'' এই মন্তব্য ফরহাদ একরামের৷  তাঁর প্রশ্ন, ছাত্রলীগ এতে বাধা দেওয়ার কে? ফারহাদ দুঃখ করে লিখেছেন, ‘‘মা-বাবা অনেক আশা নিয়ে ভার্সিটিতে পাঠিয়েছে, কিন্তু কোটায় সব শেষ৷''

পাঠক জিয়াউর রহমানের মতে, ‘‘ ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য এই দেশে নতুন কিছু নয়৷''

‘‘পুলিশ প্রটেকশন নেয় না কেন? আর কোটা থাকলে চাকরিহবে তার কোন নিশচয়তা আছে?'' সিরাজুর রহমান কিছুটা হতাশা নিয়েই এসব প্রশ্ন রেখেছেন৷ 

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন