দেশের শাসনব্যবস্থাই ধর্ষণ বাড়ার কারণ | পাঠক ভাবনা | DW | 09.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

দেশের শাসনব্যবস্থাই ধর্ষণ বাড়ার কারণ

‘‘আইনমন্ত্রী খুব ভাল মনের মানুষ কিন্তু তিনি নিজেই বেআইনী কাজ করেন৷ আর অপরাধ জগত তো লাগামহীন''- ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য একজন পাঠকের৷

 তাছাড়াও দেশে ধর্ষণ বাড়ার জন্য বেশিরভাগ পাঠকই দেশের শাসনব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন ৷

একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে বলে মনে করছেন আইনমন্ত্রী৷ আর সেকথাই তিনি উল্লেখ করেছেন ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে৷ আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে  মো.লিটন লিখেছেন  ‘‘হ্যাঁ , অবশ্যই তবে সেটা একনায়কতন্ত্রের কারণে এবং জনগনের কাছে জবাবদিহিতা না থাকায়৷''

আনিসুল হকের মতো আইনমন্ত্রী থাকলে  ধর্ষণ কমবো না,বাড়বে বলে মনে করেন পাঠক কাওসার আহমেদ৷ তাছাড়া আইনমন্ত্রীর বক্তব্যকে মানষিক ভারসাম্যহীন বলে মনে করছেন পাঠক তসিবুর রহমান৷

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব ঘটনা বেশি ঘটে, তাছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, সুশাসনের মৃত্যু৷ এসবই ধর্ষণ বাড়ার পেছনে কাজ করছে বলে মনে করেন পাঠক জনি৷

মঞ্জুরুল হক ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, ‘‘আইন মন্ত্রী খুব ভাল মনের মানুষ কিন্তু সে নিজেই বেআইনী কাজ করেন৷ অপরাধ জগত তো লাগামহীন৷''

‘‘আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে কোন পরিবর্তন সম্ভব না৷  ধর্ষণের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে আমার কথার সত্যতা পাবেন৷''  মন্তব্য ডয়চে ভেলের পাঠক একেএম ওয়াহিদুজ্জামানের৷

 ‘‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত প্রায় প্রত্যেকটা ধর্ষণে সাথে আওয়ামীলীগ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলো এবং আছে সেক্ষেত্রে আইনমন্ত্রীর কথার একটা ভিত্তি তো আছেই৷ '' এই মন্তব্য মাহফুজ আলমের৷


‘‘এইখানে একটু খেয়াল করেন- গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ৫৫টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে৷  এরপর  আগস্ট মাস এলে ধর্ষণের সংখ্যা কমে গেল৷ ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে কি হয়েছিল, মনে আছে তো? হঠাৎ করেই সারাদেশের ছাত্ররা ফুঁসে উঠেছিল সড়কে রাষ্ট্রীয় খুনের বিরুদ্ধে৷ সেই ছাত্রদের পেছনে লেলিয়ে দেয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের৷ যার রেশ ছিল কম-বেশি মধ্য আগস্ট পর্যন্ত৷ তাই এই সময়ে আওয়ামী লীগের কর্মীবাহিনী ছিল ব্যস্ত-তটস্থ৷''

এদিকে ডয়চে ভেলের পাঠক মাহতিম আহমেদ আবির তার মতামত তুলে ধরেছেন এভাবে, ‘‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কিনা জানিনা কিন্তু ওয়ারীতে যে সাদিয়া নামে ৫ বছরের ছোট মেয়েটি ধর্ষণ হলো সে নার্সারিতে পড়ে৷ আর তার ধর্ষক ও হত্যাকারীর বিচারের দাবি করছে, তার ক্লাসমেট ৫ বছরের ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা৷ যারা হয়তো ধর্ষণের অর্থই জানে না৷ এ প্রশ্নের উত্তর আছে কি ?

পাঠক হাবীব চৌধুরীও আইনমন্ত্রীকে দোষারোপ করছেন৷  লিখেছেন, দেশে গনতন্ত্রহীনতা এবং এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার জন্যই ধর্ষণ বাড়ছে৷

তবে পাঠক দীপক মিত্রের কিছুটা ভিন্নমত৷ তার মতে  ধর্ম ও পারিবারিক কুসংস্কৃতি এবং মাদ্রাসা শিক্ষাই ধর্ষণ বাড়ার কারণ৷

পাঠক মাহফুজ,  ইমতিয়াজ, আসিফ ওসমান হোসেন ইকবালসহ অনেকেই আইনমন্ত্রীকেই দোষারোপ করেছেন ধর্ষণ বাড়ার কারণ হিসেবে৷

তবে পাঠক আবদুল আজিজ মনে করেন, ‘‘যারা বিচার  করতে ব্যর্থ  তারাই এইসব কথা বলেন৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: খালেদ মুহিউদ্দীন

নির্বাচিত প্রতিবেদন