দেশব্যাপী আটক হওয়া নেতা-কর্মীর তালিকা দিল বিএনপি | বিশ্ব | DW | 16.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

দেশব্যাপী আটক হওয়া নেতা-কর্মীর তালিকা দিল বিএনপি

দেশব্যাপী আটক হওয়া ৪৭২ জন নেতা-কর্মীর তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে বিএনপি৷ বিএনপির পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার ও গায়েবি মামলা বন্ধে ইসির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে৷

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান বন্ধে ইসির হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেছেন, ‘‘৮ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে সারা দেশে পুলিশ বিএনপির মোট ৪৭২ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে৷ একই সঙ্গে পাঁচটি হয়রানিমূলক এজাহারও পাওয়া গেছে৷''

গত বুধবার ইসির সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সারা দেশে গায়েবি মামলা দিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে৷ জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)- কে এম নুরুল হুদা বলেছিলেন, ‘‘বিএনপির কাছে কোনো তালিকা থাকলে তা যেন ইসিতে পাঠানো হয়, ইসি ব্যবস্থা নেবে৷''

বিএনপি'র অভিযোগ

সিইসি-কে লেখা মির্জা ফখরুলের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে৷ গ্রেপ্তার করা হচ্ছে শত শত নেতা-কর্মীকে৷ গত চার দিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপির নয়া পল্টনের অফিসের সামনের ও তার আশপাশের সড়কে পাহারা বসিয়েছে৷ বিএনপির সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীরা দলীয় ফরম সংগ্রহ করার জন্য দলীয় কার্যালয়ে আসার পথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের দেহ তল্লাশি করছে এবং আটক করছে৷ এমনকি মনোনয়ন ফরম কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলছে৷

মির্জা ফখরুল বলেছেন, ‘‘গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির অফিস ও তার আশপাশের এলাকা থেকে ৬০/৭০ জনকে আটক করা হয়েছে এবং আটক  অভিযান অব্যাহত আছে৷''

সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ

সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ

নিপুণসহ সাতজন রিমান্ডে

নয়া পল্টনে সংঘর্ষের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ৷ শুক্রবার পুলিশের দশ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন৷

অ্যাডভোকেট নিপুণ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়ের পুত্রবধূ এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে৷ বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনায় গণমাধ্যমে আসা ছবিতে নিপুণকে লাঠি হাতে মিছিলে দেখা যায়৷ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে৷

বাকি ছয়জন হলেন- ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, রাজধানীর খিলক্ষেত থানা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ মৃধা, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার যুবদল নেতা আবুল হাশিম সবুজ, বরগুনার তালতলী উপজেলার বিএনপি নেতা আমির হোসেন এবং বিএনপি কর্মী মো. মহসিন ও মো. মামুনুর রশিদ খোকন৷ বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় দায়ের করা পল্টন থানার একটি মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷

নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রমের মধ্যে বুধবার দুপুরে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়৷ এ সময় পুলিশের দুটি গাড়ি পোড়ানো হয়, ভাংচুর করা হয় অনেক গাড়ি৷ হেলমেট পরা কয়েকজনকে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগে অংশ নিতে দেখা যায়৷ পুলিশ বলছে, তারা সবাই বিএনপির কর্মী, যদিও বিএনপি তা অস্বীকার করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মীদের দায়ী করেছে৷  

সংঘর্ষের ওই ঘটনায় পল্টন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা হয়, তার তিনটিতেই নিপুণসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে আসামি করা হয়৷

এপিবি/এসিবি (সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, প্রথম আলো)

আপনার কোন মতামত থাকলে লিখুন নীচে মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন