‘দেড় পা’ নিয়েই কোচিং চালিয়ে যেতে চান তিনি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 12.06.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান

‘দেড় পা’ নিয়েই কোচিং চালিয়ে যেতে চান তিনি

২০১৫ সালে আফগানিস্তানের প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে কোচ ছিলেন অ্যান্ডি মোলস৷ সম্প্রতি একের পর এক ঘটনায় তাঁর বাম পা হাঁটু থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে৷

তারপরও বর্তমানে আফগানিস্তানের ‘ডাইরেক্টর অফ ক্রিকেট’ পদে থাকা মোলস দায়িত্ব পালন করে যেতে চান৷

সেপ্টেম্বরে আফগানিস্তানের বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা৷ তার প্রস্তুতি চলছিল আবুধাবিতে৷ এর অংশ হিসেবে ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পাঁচ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন তিনি৷ পরে দেখেন তাঁর বাম পায়ের পাতার একটি অংশের চামড়া উঠে গেছে৷

এরপর আরো দুটো ঘটনা ঘটে মোলসের সঙ্গে৷ প্রথমটির কারণে বাম পায়ের একেবারে ছোট আঙুলটি কেটে ফেলতে হয়েছিল৷ আর পরের ঘটনায় একই পা হাঁটু থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে৷ কারণ ‘এমআরএসএ বাগ’ নামে এক ব্যাকটেরিয়া ঐ পায়ে আক্রমণ করেছিল৷

৪ এপ্রিল সাউথ আফ্রিকার কেপটাউনের চিকিৎসক মোলসকে পা কেটে ফেলতে হবে বলে জানিয়েছিলেন৷ সেদিনের কথা বলতে গিয়ে মোলস বিবিসিকে বলেন, ‘‘একজন বিশেষজ্ঞ ৪ এপ্রিল শনিবার আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন- আমার সবসময় তারিখটা মনে থাকবে- তিনি এসে বললেন, আমরা শুধু ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত অংশটুকু কেটে ফেলতে পারি, কিন্তু এর চেয়ে ভালো কিছু হবে না৷’’

‘প্রফেশনালস ক্রিকেটার্স ট্রাস্টের’ সহায়তায় তিনি প্রস্থেটিক পা লাগিয়েছেন৷ তাদের সহায়তায় এখন তিনি ১০ কিলোমিটার হাঁটার পরিকল্পনা করেছেন৷ ইতিমধ্যে ৪০০ মিটার হাঁটাও শেষ করেছেন৷ ‘‘আমি যদি দেড় পা নিয়ে ১০ কিলোমিটার হাঁটতে পারি তাহলে বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররাও তা পারবেন,’’ বলেন মোলস৷

কোচিংয়ে ফেরার আগ্রহের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমি ক্রিকেট নিয়ে আমার জ্ঞান হারাইনি৷ আমার তো পুরো মাঠ দৌড়ানোর প্রয়োজন নেই৷ আমি মেসেজ পাঠাতে পারি৷ কৌশল নিয়ে কথা বলতে পারি৷ ফলে এটা আমার কাছে কোনো বিষয় মনে হচ্ছে না৷’’

ব্রিটিশ ক্রিকেটার মোলস বর্তমানে সাউথ আফ্রিকায় বাস করছেন৷ সাউথ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার বর্তমানে আফগানিস্তানের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়