দুর্নীতির দায়ে সৌদিতে সেনা কম্যান্ডার বরখাস্ত | বিশ্ব | DW | 01.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সৌদি আরব

দুর্নীতির দায়ে সৌদিতে সেনা কম্যান্ডার বরখাস্ত

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিলেন সৌদি আরবের রাজা সালমান। তিনি প্রিন্স ফাহদকে ইয়েমেনের যৌথ বাহিনীর কম্যান্ডার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।

রাজকীয় নির্দেশে বলা হয়েছে, প্রিন্স ফাহদ আর ইয়েমেনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর কম্যান্ডারের পদে থাকবেন না। তাঁর ছেলে প্রিন্স আব্দুল আজিজ ফাহদকেও আল-জউফ এলাকার ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা হলো সলমনের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের অঙ্গ। এ ছাড়া প্রতিরক্ষার সঙ্গে জড়িত প্রচুর আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

সরকারি মিডিয়া জানিয়েছে, ক্রাউন প্রিন্স মহাম্মদ বিন সালমান-এর পরামর্শে যৌথ বাহিনীর ডেপুটি চিফ মুতলাক বিন সালিমকে কম্যান্ডার নিযুক্ত করা হয়েছে। ক্রাউন প্রিন্স সালমানই এখন কার্যত সবকিছু চালাচ্ছেন বলে তথ্যাভিজ্ঞ মহলের দাবি।

সৌদি সাহিত্যিক ও বিশ্লেষক আলি শিহাবি বলেছেন, ''সামরিক কম্যান্ডারকে এ ভাবে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের অর্থ হলো সামরিক বাহিনীতে দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্য বার্তা দেয়া।''

ক্রাউন প্রিন্স বেশ কিছুদিন ধরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে সংস্কার চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ২০১৭ সালে তিনি ভবিষ্যৎ রাজা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছেন। তারপর তাঁর দুর্নীতি বিরোধী লড়াইয়ের ফলে রাজপরিবারের অনেক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। একাধিক মন্ত্রী, কূটনীতিক, ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তবে অঘোষিত সমঝোতার পর অনেককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাঁদের রিয়াধে রিটজ কার্লটন হোটেলে রাখা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁদের কাছ থেকে ৪০ হাজার কোটি সৌদি রিয়াধ বা আট হাজার ৯০০ কোটি ইউরো উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে কিছু সমালোচকের মতে, দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের নামে ক্রাউন প্রিন্স আসলে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের সরিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় আসা ও থাকা নিশ্চিত করেছেন। তাঁর বিরোধিতায় যাঁরা মুখ খুলতে পারতেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ফেলেছেন। গত মার্চে ঘুষ নেয়া ও সরকারি পদের অপব্যবহারের অভিযোগে তিনশ সরকারি কর্মী, সামরিক অফিসার ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আর ২০১৫ থেকে ইয়েমেনে যে লড়াই চলছে, তা সৌদি ও ইরানের মধ্যে ছায়াযুদ্ধ বলে অনেকে মনে করেন। এই বিরোধের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে।

জিএইচ/এসজি(রয়টার্স, এপি, এএফপি)

বিজ্ঞাপন